গভীর হচ্ছে তেলের সংকট! শুধু হরমুজ নয়, ৯টি দেশের ৩৯টি শক্তি কেন্দ্রে ভয়াবহ হামলা, বিপাকে বিশ্ব

বিশ্বজুড়ে তেলের সংকট কেবল হরমুজ প্রণালীর অবরোধেই সীমাবদ্ধ নেই, তা এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক চাঞ্চল্যকর তদন্তে উঠে এসেছে যে, গত কয়েক দিনে ৯টি দেশের মোট ৩৯টি প্রধান শক্তি কেন্দ্রে (তেল ও গ্যাস শোধনাগার) হামলা চালানো হয়েছে। ড্রোন ও মিসাইল হামলায় বিধ্বস্ত এই কেন্দ্রগুলো মেরামত করতে বছরের পর বছর সময় লাগতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আকাশছোঁয়া তেলের দাম: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর আগে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ছিল ব্যারেল প্রতি ৭৩ ডলার। বর্তমানে তা লাফিয়ে বেড়ে ১১৯ ডলার ছাড়িয়েছে। আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের এই সংঘাতে কাতার, সৌদি আরব, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তেল ও গ্যাস উৎপাদন কেন্দ্রগুলো এখন সরাসরি যুদ্ধের ময়দান হয়ে উঠেছে।
কাতারের এলএনজি উৎপাদনে বিপর্যয়: বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাস রফতানি কেন্দ্র কাতারের ‘রাস লাফান’ সেন্টারে হামলায় এলএনজি রফতানি ক্ষমতার ১৭ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কাতার এনার্জি জানিয়েছে, এই ক্ষতি মেরামত করতে প্রায় ৫ বছর সময় লাগতে পারে। প্রাকৃতিক গ্যাসের কোনো বিকল্প না থাকায় ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোতে বিদ্যুৎ সংকট দেখা দেওয়ার প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আমেরিকা রাশিয়ার তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার পথে হাঁটছে।