সোনারপুর দক্ষিণে পদ্ম-প্রার্থী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়! বোমা কারখানা থেকে ‘সাদা থান’—তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ অভিনেত্রীর

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির দ্বিতীয় প্রার্থীতালিকায় অন্যতম বড় চমক রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। সোনারপুর দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে লড়বেন তিনি। টিকিট পাওয়ার পরেই এবিপি আনন্দকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অত্যন্ত আক্রমণাত্মক মেজাজে ধরা দিলেন পর্দার ‘দ্রৌপদী’। নিজের রাজনৈতিক জীবনের লড়াই, পুলিশের হুমকি এবং পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি।
পুলিশি ভয় ও আত্মরক্ষার লড়াই: নির্বাচনে নামার আগে রূপা মনে করিয়ে দিয়েছেন বারুইপুরের সেই ঘটনার কথা। তিনি জানান, কীভাবে সিপিএম এবং তৃণমূল মিলে বিজেপি কর্মীদের মারধর করেছিল। তাঁর অভিযোগ, তদানীন্তন সাংসদ হওয়া সত্ত্বেও পুলিশ তাঁকে ভয় দেখিয়ে বলেছিল যে সিআরপিএফ (CRPF) অনুমতি ছাড়া গুলি চালাতে পারবে না। রূপার কথায়, “আমি পুলিশকে পরিষ্কার বলেছিলাম, আমায় ভয় দেখালে হবে না। প্রয়োজন হলে আমি নিজেই বন্দুক কেড়ে নিয়ে চালাব। আত্মরক্ষার আইন আমি জানি।”
বোমা কারখানা ও শিশুশ্রম নিয়ে সরব: সোনারপুর দক্ষিণ এলাকার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রূপা বলেন, “ওখানে অনেক বোমার কারখানা আছে। ছোট ছোট বাচ্চাদের স্কুলে না পাঠিয়ে মাত্র ১০০-১২০ টাকার জন্য সেই সব কারখানায় কাজ করতে পাঠানো হচ্ছে। এই দিন আমরা আর কতদিন দেখব?”
সংখ্যাতত্ত্ব বনাম মানুষের রায়: যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত এই বিধানসভায় গতবার তৃণমূলের বড় লিড ছিল। তবে সেই পরিসংখ্যান নিয়ে চিন্তিত নন রূপা। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে ‘মৃত ভোটারদের বাঁচিয়ে রাখা’ এবং বিরোধীদের বাড়িতে ‘সাদা থান’ পাঠিয়ে ভয় দেখানোর যে সংস্কৃতি চলছে, মানুষ এবার তার শেষ দেখে ছাড়বে। তিনি বিশ্বাস করেন, সংখ্যাতত্ত্বের চেয়ে মানুষের কাছে পৌঁছনোই বড় কথা।