“টাকা ও সম্মান দুই-ই পেয়েছি!” বিদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে বলিউড নির্মাতাদের দরাজ সার্টিফিকেট পাক গায়কের

আশির দশকের সেই কালজয়ী সুর ‘হাওয়া হাওয়া’ আজও দোলা দেয় আট থেকে আশির হৃদয়ে। ১৯৮৭ সালে হাসান জাহাঙ্গীরের সেই অ্যালবাম মুক্তির প্রায় চার দশক পর, সেই নস্টালজিয়াকেই বড় পর্দায় ফিরিয়ে আনলেন পরিচালক আদিত্য ধর। সম্প্রতি পাকিস্তানের এআরওয়াই (ARY) ডিজিটালের এক টক-শো’তে এসে হাসান জাহাঙ্গীর নিজেই ফাঁস করলেন এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। বলিউডের বিগ বাজেট ছবি ‘ধুরন্ধর’-এর নির্মাতারা এই গানটি ব্যবহারের জন্য তাঁকে প্রায় ৫০ হাজার ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় যা কয়েক লক্ষ টাকা) পারিশ্রমিক হিসেবে দিয়েছেন।

হাসান জাহাঙ্গীরের কথায়, “আগে কপিরাইট নিয়ে এত কড়াকড়ি ছিল না। কিন্তু এখন দিন বদলেছে। ‘ধুরন্ধর’-এর টিম আমার থেকে আগাম অনুমতি নিয়েছে এবং যথাযথ সম্মানদক্ষিণাও দিয়েছে।” ছবিতে গানটির প্রয়োগ অত্যন্ত আকর্ষণীয়। এসপি চৌধুরী আসলামের চরিত্রে সঞ্জয় দত্ত যখন সাদা মরুভূমির বুক চিরে ড্রাগ পাচারকারীদের ডেরায় এন্ট্রি নিচ্ছেন, ঠিক তখনই নেপথ্যে বেজে উঠছে ‘হাওয়া হাওয়া’। সঞ্জু বাবার অ্যাকশন আর এই রেট্রো ট্র্যাকের যুগলবন্দি দর্শকদের মধ্যে টানটান উত্তেজনা তৈরি করেছে।

তবে শুধু ‘হাওয়া হাওয়া’ নয়, ‘ধুরন্ধর’ ছবিটিতে নস্টালজিয়ার ছড়াছড়ি। উষা উথুপের ‘রাম্বা হো’, হেলেনের সেই কালজয়ী ‘পিয়া তু আব তো আজা’ এমনকি ‘বরসাত কি রাত’ ছবির ক্লাসিক কাওয়ালিও ব্যবহার করা হয়েছে এই ছবিতে। কপিরাইট নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গীত জগতের দীর্ঘদিনের যে ঠান্ডা লড়াই ছিল, হাসান জাহাঙ্গীরের এই স্বীকারোক্তি সেই সম্পর্কে এক ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। যোগ্য সম্মান পেয়ে খুশি খোদ শিল্পীও।