যুবভারতীতে ‘গো ব্যাক অস্কার’ স্লোগান! ১ মিনিটে গোল করেও জয়হীন ইস্টবেঙ্গল

শুরুটা হয়েছিল স্বপ্নের মতো। ম্যাচের বয়স তখন মাত্র ১ মিনিট। পেনাল্টি থেকে গোল করে সমর্থকদের উল্লাসে ভাসিয়েছিলেন ইউসেফ ইজ্জেজারি। কিন্তু সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হলো না। ওড়িশা ও গোয়ার পর এবার ঘরের মাঠে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধেও ১-১ ড্র করে মাঠ ছাড়তে হলো অস্কার ব্রুজোর ছেলেদের।

গ্যালারিতে ‘গো ব্যাক অস্কার’ স্লোগান: ম্যাচ শেষে হতাশ সমর্থকরা মাঠ ছাড়ার আগে নিজেদের ক্ষোভ উগড়ে দেন। গ্যালারি থেকে ভেসে আসে ‘গো ব্যাক অস্কার’ ধ্বনি। যা শুনে মাথা নিচু করেই ড্রেসিংরুমের পথ ধরেন লাল-হলুদ বস। তবে সমর্থকদের এই রাগকে সম্মান জানিয়েছেন অস্কার। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, “সমর্থকদের রাগটা যথার্থ। তারা টাকা খরচ করে খেলা দেখতে আসেন দলের জয় দেখতে। এমন পারফরম্যান্স হলে তাদের হতাশ হওয়াটাই স্বাভাবিক।”

১ মিনিটের গোল বনাম রক্ষণের ফাটল: ম্যাচের শুরুতেই এডমুন্ডকে বক্সের ভেতর অবৈধভাবে ট্যাকল করেন কেরালার আইবান। পেনাল্টি থেকে গোল করতে ভুল করেননি এজেজারি। কিন্তু এরপর থেকেই যেন খেই হারিয়ে ফেলে ইস্টবেঙ্গল। আনোয়ার আলি ও বিপিন সিংদের মধ্যে চেনা সেই রসায়ন এদিন উধাও ছিল। মাঝমাঠ থেকে আক্রমণভাগে বল পাঠাতে বারবার ভুল করছিলেন ফুটবলাররা।

দ্বিতীয়ার্ধে সেই সুযোগটাই নেয় কেরালা। ইস্টবেঙ্গল রক্ষণের ফাটল দিয়ে বারবার বক্সে হানা দিচ্ছিলেন কেরালা ফুটবলাররা। অবশেষে মহম্মদ আজসলের হেডে সমতা ফেরায় কেরালা। শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত আর গোলমুখ খুলতে পারেনি কোনও পক্ষই।

মোহনবাগান কাঁটা ও কাটালার দম্ভ: ম্যাচ শেষে কেরালা কোচ ডেভিড কাটালা যেন কিছুটা তাচ্ছিল্যের সুরেই কথা বলেন। তাঁর মতে, ইস্টবেঙ্গলের চেয়েও মোহনবাগান অনেক বেশি কঠিন চ্যালেঞ্জ ছিল কারণ সবুজ-বড়ুয়ান ফুটবলাররা অনেক বেশি প্রতিভাবান। তবে ইস্টবেঙ্গলের ডেরা থেকে ১ পয়েন্ট নিয়ে ফেরাই তাঁদের ঘুরে দাঁড়ানোর মন্ত্র বলে মনে করছেন তিনি।