গরমে ঘামাচি আর চুলকানিতে অতিষ্ঠ? হাতের কাছের এই ৫ টোটকাতেই কেল্লাফতে!

মার্চের মাঝামাঝি সময়েই যেভাবে তাপমাত্রা বাড়ছে, তাতে ঘামাচি, র্যাশ আর চুলকানির সমস্যায় নাজেহাল আট থেকে আশি। আর্দ্র আবহাওয়ায় ঘাম গ্রন্থির মুখ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলেই এই অস্বস্তিকর লাল লাল দানা বা ঘামাচির জন্ম হয়। তবে বাজারচলতি কেমিক্যালযুক্ত প্রোডাক্ট বা পাউডার ব্যবহার না করে ঘরোয়া কিছু টোটকাতেই আপনি পেতে পারেন ম্যাজিকের মতো আরাম।
ঘামাচি তাড়ানোর অব্যর্থ ঘরোয়া টোটকা:
-
বরফ সেঁক: একটি সুতির পাতলা কাপড়ে বরফ পেঁচিয়ে আক্রান্ত স্থানে ৫-১০ মিনিট সেঁক দিন। এটি ত্বকের জ্বালা ও চুলকানি নিমেষে কমিয়ে দেয়।
-
অ্যালোভেরা জেল: বাগান বা টব থেকে তাজা অ্যালোভেরা জেল সরাসরি ঘামাচির ওপর লাগান। এর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ ত্বককে ঠান্ডা করে।
-
চন্দন ও গোলাপ জল: চন্দন গুঁড়োর সঙ্গে গোলাপ জল মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এই প্রলেপটি শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন।
-
নিম পাতার জাদু: নিমের অ্যান্টিসেপটিক গুণ সংক্রমণের ভয় কমায়। নিম পাতা বাটা লাগাতে পারেন অথবা স্নানের জলে নিম পাতা ফুটিয়ে সেই জল ব্যবহার করতে পারেন।
-
বেকিং সোডা: এক কাপ ঠান্ডা জলে এক চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে কাপড় দিয়ে আক্রান্ত স্থান মুছলে দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।
সতর্কতা যা মেনে চলবেন: গরমের দিনে সুতির ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। অনেকে ঘামাচি হলে প্রচুর পাউডার মাখেন, যা আসলে ত্বকের রোমকূপ বন্ধ করে সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেয়। তাই পাউডার বর্জন করে দিনে অন্তত দু’বার স্নান করুন। শরীরে জলের ঘাটতি মেটাতে ডাবের জল বা লেবুর শরবত বেশি করে খান। তবে ঘামাচিতে পুঁজ জমলে দেরি না করে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।