গম্ভীর-সূর্য জুটিতেই কি ২০২৮ বিশ্বকাপ? আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহর মন্তব্যে তোলপাড় ক্রিকেটমহল!

ভারতীয় ক্রিকেটের সোনালী সময় কি কেবল শুরু? চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এবং টি-২০ বিশ্বকাপের পর এবার মিশন ২০২৮। শনিবার মুম্বইয়ে এক বর্ণাঢ্য পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ যা ইঙ্গিত দিলেন, তাতে স্পষ্ট যে গৌতম গম্ভীর এবং সূর্যকুমার যাদবের ওপর ভরসা বজায় রাখছে বোর্ড। ২০২৮ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত এই জুটিকেই কি দেখা যাবে নীল জার্সির হট সিটে? শাহর বার্তায় কিন্তু সেই সিলমোহরই খুঁজে পাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

অনুষ্ঠানে গম্ভীর ও সূর্যকে উদ্দেশ্য করে জয় শাহর পরামর্শ, “ওপর থেকে নিচে নামতে কয়েক মাস লাগে, কিন্তু নিচে থেকে ওপরে উঠতে লাগে বছরের পর বছর। এই কঠোর পরিশ্রম জারি রাখো।” ক্রিকেটের অলিন্দে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, ২০২৮ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের মাটিতে হতে চলা টি-২০ বিশ্বকাপে গম্ভীরের মস্তিষ্ক এবং সূর্যের নেতৃত্বেই ঝাঁপাবে ভারত। জয় শাহ আরও জানান, তিনি বিসিসিআই-তে থাকাকালীন ২০২৮ অলিম্পিক পর্যন্ত রোডম্যাপ তৈরি করে দিয়েছিলেন, যা এখন ২০৩৬ সাল পর্যন্ত প্রসারিত করা উচিত।

তবে শুধু ভারতীয় দল নয়, আইসিসি চেয়ারম্যান হিসেবে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের নাম না করে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জয় শাহ। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ও বিশ্বকাপ আয়োজনে নানা টালবাহানার প্রেক্ষিতে তাঁর সাফ কথা, “কোনো একটি দেশ বা বোর্ড আইসিসি-র চেয়ে বড় হতে পারে না। সংস্থা চলে সবাইকে নিয়ে।” উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে তৈরি হওয়া জট এবং পিসিবি-র আপত্তির কড়া জবাব দিয়ে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, বিশ্ব ক্রিকেটে ভারতের দাপট এবং আইসিসি-র নিয়মই শেষ কথা।

এবারের বিশ্বকাপের আকাশছোঁয়া সাফল্যের খতিয়ান দিয়ে শাহ জানান, ভিউয়ারশিপের সব রেকর্ড ভেঙে গিয়েছে। ৭.২ মিলিয়ন কনকারেন্ট ভিউয়ার এবং অ্যাসোসিয়েট দেশগুলির লড়াই প্রমাণ করে দিয়েছে যে ক্রিকেট এখন বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়। নেপাল, নেদারল্যান্ডস বা জিম্বাবোয়ের মতো ছোট দলগুলোর বড় দলগুলোকে কড়া চ্যালেঞ্জ জানানোকে ক্রিকেটের জয় হিসেবেই দেখছেন তিনি।