তেহরানে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কেউ বেঁচে নেই! জি-৭ বৈঠকে বিস্ফোরক ট্রাম্প, যুদ্ধের পথেই নতুন নেতা মোজতবা

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি এখন এক বিধ্বংসী মোড় নিয়েছে। জি-৭ দেশগুলোর ভার্চুয়াল বৈঠকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরান অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং তারা খুব শীঘ্রই আত্মসমর্পণ করতে চলেছে। ট্রাম্পের কথায়, “ইরানের নেতৃত্ব সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। তেহরানে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো কোনো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা আর বেঁচে নেই।” এমনকি ইরানের বর্তমান অবস্থা বোঝাতে গিয়ে তিনি বলেন, সে দেশে কেউ জানেই না তাদের আসল নেতা কে।
মোজতবা খামেনেইর পালটা হুঙ্কার: ট্রাম্পের এই মন্তব্যের ঠিক ২৪ ঘণ্টার মাথায় ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই প্রথমবার মুখ খুলেছেন। তিনি সাফ জানিয়েছেন, আত্মসমর্পণ নয়, বরং ‘প্রতিশোধ’ নেওয়াই এখন ইরানের প্রধান লক্ষ্য। এই লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত লড়াই থামবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
হরমুজ প্রণালী ও বিশ্ব অর্থনীতি: যুদ্ধের ১৪তম দিনে এসে ইরান এক ভয়ানক চাল চেলেছে। তারা ইঙ্গিত দিয়েছে যে, প্রয়োজন পড়লে বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ ‘হরমুজ প্রণালী’ বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। উল্লেখ্য, বিশ্বের প্রায় ২০% জ্বালানি এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। এই পথ বন্ধ হলে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড়সড় ধস নামার আশঙ্কা রয়েছে।
বৃটেনের সাথে বাকযুদ্ধ: বৈঠকে ট্রাম্প ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেইর স্তারমারকেও একহাত নিয়েছেন। যুদ্ধের শুরুতে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় ট্রাম্প বলেন, “তখন ফিরিয়ে দিয়েছ, এখন আর সাহায্যের প্রয়োজন নেই। অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে।” তবে স্তারমার জানিয়েছেন, উপসাগরীয় দেশগুলোর সুরক্ষায় প্রয়োজনে ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া যেতে পারে।