ডিএ ধর্মঘটে অচল বাংলা! নবান্নের ‘শো-কজ’ হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে রাজপথে সরকারি কর্মীরা

আজ ১৩ মার্চ, শুক্রবার বকেয়া মহার্ঘ ভাতার (DA) দাবিতে রাজ্যজুড়ে পূর্ণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চসহ একাধিক কর্মচারী সংগঠন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও বকেয়া ডিএ না মেটানোর প্রতিবাদে আজ সকাল থেকেই রাজ্যজুড়ে স্কুল, কলেজ এবং সরকারি দফতরগুলিতে পিকেটিং শুরু হয়েছে। রাজ্য কো-অর্ডিনেশন কমিটি এবং সরকারি কর্মচারী পরিষদের মতো সংগঠনগুলির দাবি, সরকার তাঁদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করছে।

নবান্নের কড়া দাওয়াই:
ধর্মঘট রুখতে বৃহস্পতিবারই অর্থ দফতর একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। সেখানে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, আজ কোনো ধরনের ছুটি মঞ্জুর করা হবে না। চিকিৎসা বা মাতৃত্বকালীন ছুটির মতো বিশেষ ক্ষেত্র ছাড়া কেউ অনুপস্থিত থাকলে তাঁকে ‘শোকজ’ করা হবে, কাটা হবে একদিনের বেতন এবং কর্মজীবন থেকে ওই দিনটিকে ‘নন ডাইস’ হিসেবে গণ্য করা হবে।

আন্দোলনের দাবি ও সমর্থন:
কর্মচারীদের দাবি শুধু ডিএ-তে সীমাবদ্ধ নেই; তাঁরা সরকারি দফতরে ৬ লক্ষ শূন্যপদে স্থায়ী নিয়োগ এবং অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ীকরণের দাবিও তুলেছেন। এই ধর্মঘটকে নৈতিক সমর্থন জানিয়েছে বিজেপি, বামফ্রন্ট এবং বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন। বিকেলের দিকে নবান্ন কী পদক্ষেপ নেয় এবং কত শতাংশ হাজিরা থাকে, এখন সেটাই দেখার।