সিলিন্ডার নিয়ে কারচুপি? সাবধান! ময়দানে নামল লালবাজারের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ!

ইরান-ইজরায়েল ও আমেরিকা সংঘাতের আবহে দেশজুড়ে এলপিজি (LPG) গ্যাস নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। আর এই সুযোগে একদল অসাধু চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে গ্যাসের কালোবাজারিতে। এবার সেই অসাধু চক্রকে কড়া হাতে দমন করতে ময়দানে নামল কলকাতা পুলিশের এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ (EB)। লালবাজার সূত্রে খবর, রান্নার গ্যাসের সঙ্কটকালে সরকারি গাইডলাইন অমান্য করলেই ‘এসেন্সিয়াল কমোডিটি’ বা অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আইনে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হবে।
পুলিশের নজরদারিতে মূলত তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রথমত, ডিলার ও ডিস্ট্রিবিউটরদের স্টকের ওপর কড়া নজর থাকবে যাতে কেউ কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে বাড়তি মুনাফার আশায় সিলিন্ডার মজুত না রাখে। দ্বিতীয়ত, ডেলিভারি বয়দের গতিবিধি ও অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রির অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে। এবং তৃতীয়ত, বিভিন্ন ফুড স্টল বা মাঝারি হোটেলে ডোমেস্টিক বা ঘরোয়া সিলিন্ডার বেআইনিভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে কি না, তাও তল্লাশি চালাবে পুলিশ।
ইতিমধ্যেই গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ। সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে জানানো হয়েছে, গ্যাসের কোনও প্রকৃত ঘাটতি নেই। কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী আশ্বস্ত করেছেন যে, দেশীয় এলপিজি যথেষ্ট পরিমাণে মজুত রয়েছে এবং রিফাইনারিগুলি পূর্ণ ক্ষমতায় কাজ করছে। তাই কেউ যদি গ্যাসের জন্য অতিরিক্ত টাকা দাবি করে বা সিলিন্ডার নেই বলে ফিরিয়ে দেয়, সরাসরি পুলিশের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।