১৬ মার্চই কি ভোটের দামামা? বাংলায় কত দফায় নির্বাচন, বড় ইঙ্গিত দিল কমিশন!

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির পারদ চড়তে শুরু করেছে। সূত্রের খবর, আগামী ১৬ মার্চ পশ্চিমবঙ্গসহ তামিলনাড়ু, কেরল, অসম এবং পুদুচেরির বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করতে পারে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে ফুল বেঞ্চ ইতিমধ্যেই রাজ্য সফর শেষ করে প্রশাসনিক স্তরে চূড়ান্ত প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেছে। কমিশনের লক্ষ্য একটাই—ছাব্বিশের নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ রক্তপাতহীন এবং অবাধ।

কত দফায় ভোট? তুঙ্গে জল্পনা
রাজ্যে কত দফায় ভোট হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনার শেষ নেই। বিরোধী দলগুলি, বিশেষ করে বাম ও বিজেপি, কমিশনের কাছে কম দফায় ভোট করানোর দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, কম দফায় নির্বাচন হলে অশান্তির আশঙ্কা কমে। বর্তমানে ১ থেকে ৩ দফায় ভোট হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। সব ঠিক থাকলে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে হতে পারে প্রথম দফার ভোট এবং এপ্রিলের শেষেই ফল ঘোষণা হতে পারে।

৬০ লক্ষ ভোটারের ভাগ্য ও আইনি লড়াই
নির্বাচন ঘোষণা হতে চললেও বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ লক্ষ ‘বিচারাধীন’ ভোটারদের নাম। এই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জট কাটাতে দিনরাত কাজ করছেন প্রায় ৫০০ জন জুডিশিয়াল অফিসার। সম্প্রতি তৃণমূল সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করলে আদালত তা খারিজ করে দেয়। শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই ১০ লক্ষ নামের নিষ্পত্তি হয়েছে এবং শুনানি প্রক্রিয়া জারি থাকবে। কমিশনও আশ্বাস দিয়েছে যে, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা যাবে। ফলে ভোটের আগেই এই বিশাল সংখ্যক মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার ফিরে পাবেন কি না, সেটাই এখন দেখার।

Saheli Saha
  • Saheli Saha