হোয়াইট হাউসে ফের ‘ইন্টার্ন’ বিভ্রাট! ওবামা দম্পতিকে অপমানের পর এবার হরমুজ প্রণালী নিয়ে ভুয়ো পোস্ট

বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী ভবন হোয়াইট হাউসের সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট কি তবে খেই হারিয়ে ফেলছে? মাত্র এক মাসের ব্যবধানে দুটি বড়সড় বিতর্কিত পোস্ট এবং তারপর দায় ঝেড়ে ফেলার কৌশল নিয়ে এখন উত্তাল আন্তর্জাতিক মহল। প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও মিশেল ওবামাকে নিয়ে কুরুচিকর ভিডিওর পর এবার হরমুজ প্রণালী সংক্রান্ত একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ভুয়ো পোস্ট ঘিরে অস্বস্তিতে বাইডেন প্রশাসন।

ঠিক কী ঘটেছিল?
চলতি সপ্তাহে মার্কিন শক্তিমন্ত্রী ক্রিস রাইটের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে একটি চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়। পোস্টে বলা হয়েছিল, মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালী দিয়ে একটি তেলের ট্যাঙ্কারকে নিরাপত্তা দিয়ে পার করে নিয়ে গিয়েছে। বর্তমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে এই পোস্টটি ছিল অত্যন্ত সংবেদনশীল। পোস্টটি করার কিছুক্ষণের মধ্যেই তা মুছে ফেলা হয় এবং হোয়াইট হাউস একে সরাসরি অস্বীকার করে।

বিশ্ববাজারে অস্থিরতা ও দায় ঝেড়ে ফেলা:
এই স্বল্পস্থায়ী পোস্টের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি এবং আর্থিক বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হয়। তেলের দাম এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বরাবরের মতো এবারও হোয়াইট হাউস এক ‘ইন্টার্ন’ বা শিক্ষানবিশের ওপর দায় চাপিয়ে হাত ধুয়ে ফেলেছে। কিন্তু সমালোচকদের প্রশ্ন, এত বড় সংবেদনশীল বিষয়ে একজন ইন্টার্ন কীভাবে পোস্ট করার অনুমতি পান?

এক মাস আগের বর্ণবিদ্বেষী বিতর্ক:
উল্লেখ্য, মাত্র এক মাস আগেই হোয়াইট হাউসের হ্যান্ডেল থেকে ওবামা দম্পতিকে নিয়ে একটি অত্যন্ত কুরুচিকর ও বর্ণবিদ্বেষী ভিডিও শেয়ার করা হয়েছিল। সেবারও বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠলে এক কর্মীর ‘ভুল’ বলে সাফাই দিয়েছিল প্রশাসন। বারবার একই ধরনের গাফিলতি এবং দায় এড়ানোর এই ‘স্ক্রিপ্ট’ এখন হোয়াইট হাউসের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। ইরানের আধিকারিকদের সঙ্গে এই নিয়ে নতুন করে প্রোপাগান্ডা যুদ্ধ শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।