রমজানের সময়সূচি ২০২৬: কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি, জেনে নিন আজকের সেহরি ও ইফতারের সঠিক সময়!

পবিত্র রমজান মাস জুড়ে ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা পরম নিষ্ঠার সঙ্গে রোজা পালন করছেন। রোজার দুটি প্রধান অঙ্গ হলো সেহরি ও ইফতার। সূর્યોদয়ের আগে খাবার গ্রহণ করাকে সেহরি এবং সূর্যাস্তের পর রোজা ভাঙাকে ইফতার বলা হয়। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এমনকি পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতেও সেহরি ও ইফতারের সময়ে কয়েক মিনিটের পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। তাই সঠিক সময়ে ইবাদত পালনের জন্য নির্ভুল সময়সূচি জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি।
পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা, হাওড়া, দুর্গাপুর, শিলিগুড়ি-সহ বিভিন্ন প্রান্তের এবং ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ ও মহারাষ্ট্রের নাগপুরের ২ মার্চ থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত সময়সূচি নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা: কলকাতায় আজ ২ মার্চ ইফতার হবে সন্ধ্যা ৫টা বেজে ৪০ মিনিটে এবং পরের দিন সেহরির শেষ সময় ভোর ৪টা বেজে ৪৩ মিনিটে। ৩ মার্চ ইফতার ৫:৪১ মিনিটে এবং সেহরি ৪:৪২ মিনিটে। ৪ মার্চ ইফতার ৫:৪১ মিনিটে এবং সেহরি ৪:৪১ মিনিটে। ৫ মার্চ ইফতার ৫:৪২ মিনিটে এবং সেহরি ৪:৪০ মিনিটে। দক্ষিণ দমদম ও মহেশতলাতেও সময়ের খুব সামান্য ব্যবধান থাকলেও প্রায় একই সূচি কার্যকর হবে।
হাওড়া ও দুর্গাপুর: শিল্পাঞ্চল হাওড়ায় আজ ইফতার ৫টা ৪০ মিনিটে এবং সেহরি ভোর ৪টা ৪৩ মিনিটে। দুর্গাপুরে আজ ইফতারের সময় সন্ধ্যা ৫টা ৪৪ মিনিট এবং আগামীকালের সেহরি ভোর ৪টা ৪৭ মিনিটে। পরবর্তী দিনগুলোতে দুর্গাপুরে ইফতার ও সেহরির সময় যথাক্রমে (৩ মার্চ: ৫:৪৪, ৪:৪৬), (৪ মার্চ: ৫:৪৫, ৪:৪৫) এবং (৫ মার্চ: ৫:৪৫, ৪:৪৪)।
আসানসোল ও ধানবাদ: আসানসোলে আজ ২ মার্চ ইফতার হবে ৫টা ৪৫ মিনিটে এবং সেহরি ৪টা ৪৮ মিনিটে। অন্যদিকে পার্শ্ববর্তী ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে আজ ইফতারের সময় সন্ধ্যা ৫টা ৪৭ মিনিট এবং সেহরি শেষ হবে ৪টা ৫১ মিনিটে। ৫ মার্চ ধানবাদে ইফতার হবে ৫টা ৪৯ মিনিটে।
উত্তরবঙ্গ (শিলিগুড়ি): শিলিগুড়িতে সময়ের পার্থক্য কিছুটা বেশি। আজ ২ মার্চ এখানে ইফতারের সময় সন্ধ্যা ৫টা ৩৮ মিনিট এবং সেহরির শেষ সময় ভোর ৪টা ৪৩ মিনিট। ৫ মার্চ পর্যন্ত এখানে ইফতারের সময় ১ মিনিট করে বেড়ে ৫টা ৩৯ মিনিটে পৌঁছাবে।
অন্যান্য শহর: মহারাষ্ট্রের নাগপুরে সময়ের পার্থক্য অনেকটাই। সেখানে আজ ইফতার সন্ধ্যা ৬টা ১৮ মিনিটে এবং সেহরি ভোর ৫টা ২০ মিনিটে।
রমজানের এই পবিত্র সময় সঠিকভাবে পালনের জন্য স্থানীয় মসজিদের আজানের সময় এবং নির্ভরযোগ্য ক্যালেন্ডার অনুসরণ করা শ্রেয়। উপরে উল্লিখিত সময়সমূহ বিভিন্ন শহরের ভৌগোলিক অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত।