অবসান এক দীর্ঘ অধ্যায়ের: ইজরায়েল-আমেরিকার যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সুপ্রিম লিডার খামেনেই!

মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে এক প্রলয়ঙ্কারী মোড়! দীর্ঘ ৩৭ বছর ইরান শাসন করা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেই শনিবার ইজরায়েল ও আমেরিকার এক বিধ্বংসী যৌথ বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন। রবিবার সকালে তেহরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। এই ঘটনার পরেই ইরানে ৪০ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
অপারেশন ও প্রাণহানি: ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উভয়েই দাবি করেছেন যে, খামেনেই এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজ়েশকিয়ানকে লক্ষ্য করেই এই নিখুঁত হামলা চালানো হয়েছিল। রয়টার্স সূত্রে খবর, হামলার পর খামেনেইয়ের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুধু খামেনেই নন, তাঁর সঙ্গে ইরানের একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতাও এই অভিযানে প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া বার্তা: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই মুহূর্তটিকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “ইরানি জনগণের কাছে নিজেদের দেশ ফিরিয়ে নেওয়ার এটাই সেরা সুযোগ।” তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনে এই ধরণের সুনির্দিষ্ট ও ভারী বোমাবর্ষণ অব্যাহত থাকবে।
ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি: শুরুতে ইরান এই খবর অস্বীকার করলেও রবিবার সকালে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে দেশজুড়ে। খামেনেইয়ের মৃত্যুতে একদিকে যেমন শোকের ছায়া, অন্যদিকে বিপ্লবী গার্ডসের সদস্যদের মধ্যে তৈরি হয়েছে চরম আতঙ্ক। বিশ্ব রাজনীতি এখন কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে আন্তর্জাতিক মহল।