বিজয়-সঙ্গীতার বিচ্ছেদ কি তবে চূড়ান্ত? বাবার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলেন ছেলে জেসন!

দক্ষিণী সুপারস্টার থলপতি বিজয়ের ব্যক্তিগত জীবন এখন টলিপাড়ার টক অফ দ্য টাউন। অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদে রূপান্তরিত হওয়া বিজয়ের সাজানো সংসারে কি তবে সত্যিই ভাঙন ধরল? গত কয়েক মাস ধরে তাঁর ও স্ত্রী সঙ্গীতা সোর্নালিঙ্গমের বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে থাকলেও, সম্প্রতি একটি ঘটনা সেই আগুনে ঘি ঢেলেছে। জানা গেছে, বিজয়ের পুত্র তথা উদীয়মান পরিচালক জেসন সঞ্জয় সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর বাবাকে ‘আনফলো’ করেছেন। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই ফ্যানদের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
নেটিজেনদের একাংশ দাবি করছেন, জেসন সঞ্জয় ইনস্টাগ্রামে তাঁর বাবাকে আর ফলো করছেন না। যদিও অন্য একটি পক্ষের মতে, জেসন হয়তো আগে থেকেই তাঁর বাবাকে ফলো করতেন না। তবে ডিভোর্স বিতর্কের আবহে এই ‘আনফলো’ তত্ত্ব বিজয়-সঙ্গীতার সম্পর্কের অবনতির দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে। উল্লেখ্য, এএনআই-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, সঙ্গীতা ইতিমধ্যেই চেঙ্গালপাট্টু ফ্যামিলি কোর্টে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা দায়ের করেছেন। সূত্রের খবর, জনৈক অভিনেত্রীর সঙ্গে বিজয়ের ঘনিষ্ঠতাই নাকি এই ভাঙনের মূল কারণ।
বিজয় ও সঙ্গীতার প্রেমকাহিনি ছিল সিনেমার মতোই রঙিন। ১৯৯৯ সালে ‘পুভে উনাক্কাগা’ ছবির সাফল্যের পর বিজয়ের অনুরাগী হিসেবেই তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন সঙ্গীতা। সেখান থেকেই আলাপ এবং পরে পরিবারের সম্মতিতে ১৯৯৯ সালের ২৫ আগস্ট হিন্দু রীতিতে তাঁদের চার হাত এক হয়। দীর্ঘ ২৫ বছরের দাম্পত্যে তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে। তবে বর্তমানে বিজয়ের রাজনৈতিক দল ‘তামিলাগা ভেত্রি কাঝাগম’-এর ব্যস্ততার মাঝেই এই পারিবারিক কলহ তাঁর ভাবমূর্তিতে প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও বিজয় বা সঙ্গীতা—কেউই এখনও এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেননি।