খামেনেই শেষ, এবার কি পতনের মুখে ইরান? ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর যৌথ অভিযানে লণ্ডভণ্ড তেহরান

মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে এক রক্তক্ষয়ী অধ্যায়ের সূচনা হলো। শনিবার রাতে ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ অভিযানে নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। রবিবার সকালে তেহরানের পক্ষ থেকে এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার পরপরই ইরানে ৪০ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যৌথভাবে এই অভিযানের সাফল্যের দাবি করেছেন। জানা গিয়েছে, তেহরানে খামেনেই এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে লক্ষ্য করে এই নিখুঁত হামলা চালানো হয়। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে খামেনেইয়ের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে ইজরায়েলি বিশেষ বাহিনী। ডোনাল্ড ট্রাম্প এই মুহূর্তটিকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে বর্ণনা করেছেন এবং ইরানি জনগণকে তাদের দেশ ফিরে পাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ট্রাম্প আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনে এই ভারী বোমাবর্ষণ অব্যাহত থাকবে। ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ড (IRGC)-এর বেশ কিছু শীর্ষ নেতাও এই হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন বলে খবর। ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের শাসনদণ্ড হাতে রাখা নেতার এই মৃত্যু দেশটির ভবিষ্যৎকে গভীর অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে। বিশ্বজুড়ে তেলের দাম ও যুদ্ধের আশঙ্কায় এখন থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।