মধ্যরাতে রণক্ষেত্র জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়, পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধের পর স্বস্তি পেলেন বিক্ষোভকারীরা

জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (JNU) চত্বর থেকে শিক্ষা মন্ত্রক পর্যন্ত ডাকা ‘লং মার্চ’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল দেশের রাজধানী। বৃহস্পতিবার পুলিশের সঙ্গে পড়ুয়াদের দফায় দফায় সংঘর্ষের পর ৫০ জনেরও বেশি ছাত্রছাত্রীকে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশ। শুক্রবার তাঁদের মধ্যে ১৪ জনকে ২৫,০০০ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন দিল পাতিয়ালা হাউস কোর্ট। আদালত এই স্বস্তি দিলেও ক্যাম্পাসের উত্তেজনা এখনও প্রশমিত হয়নি।

জেএনইউ ছাত্র ইউনিয়ন (JNUSU)-এর ডাকা এই আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন সভাপতি অদিতি মিশ্র ও প্রাক্তন সভাপতি নীতিশ কুমারের মতো ছাত্রনেতারা। তাঁদের প্রধান দাবি ছিল, প্রস্তাবিত ‘রোহিত আইন’ কার্যকর করা এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সামাজিক ন্যায়বিচার সুনিশ্চিত করা। এছাড়াও উপাচার্য শান্তিশ্রী ধুলিপুডি পণ্ডিতের পদত্যাগ এবং ইউজিসি-র একাধিক বিতর্কিত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হন ছাত্রছাত্রীরা। পড়ুয়াদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ মিছিলে দিল্লি পুলিশ নির্মমভাবে বলপ্রয়োগ করেছে। পুলিশের বাধা পেয়ে বসন্ত কুঞ্জ থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। বর্তমানে আদালত জামিন দিলেও নিজেদের দাবি থেকে পিছু হটতে নারাজ জেএনইউ-র ছাত্র সমাজ।