আগাম ধামাকা! ২০২৬-এর দোলে টানা ২ দিন ছুটির ঘোষণা নবান্নের, খুশিতে আত্মহারা সরকারি কর্মীরা!

আসন্ন ২০২৬ সালে রঙের উৎসব দোলযাত্রা এবং হোলি উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীদের জন্য বড়সড় খুশির খবর শোনাল নবান্ন। প্রতি বছরের মতো এবারও দোলের আনন্দকে দ্বিগুণ করতে টানা দুই দিনের ছুটির ঘোষণা করা হয়েছে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। সম্প্রতি অর্থ দপ্তরের অডিট শাখা থেকে প্রকাশিত ৪১৮৮-এফ(পি২) নম্বর বিজ্ঞপ্তিতে এই ছুটির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

রাজ্য সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী, আগামী ২০২৬ সালের ৩ মার্চ, মঙ্গলবার দোলযাত্রা বা দোল পূর্ণিমা উপলক্ষে ছুটি থাকবে। এর ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ৪ মার্চ, বুধবার হোলি উপলক্ষেও রাজ্য জুড়ে সরকারি ছুটি কার্যকর হবে। অর্থাৎ সপ্তাহের মাঝখানে টানা দু’দিন কর্মব্যস্ততা থেকে সম্পূর্ণ ছুটি পাচ্ছেন রাজ্যের সরকারি কর্মচারী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। এই বিজ্ঞপ্তির আওতায় থাকবে সমস্ত সরকারি দপ্তর, পুরসভা, পঞ্চায়েত এবং সরকার পোষিত সমস্ত সংস্থা।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটির আমেজ:
শুধুমাত্র সরকারি অফিস নয়, রাজ্যের স্কুলগুলোতেও খুশির হাওয়া। পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE) তাদের ২০২৬ সালের মডেল হলিডে তালিকায় দোল ও হোলির জন্য এই দু’দিন ছুটির কথা উল্লেখ করেছে। পর্ষদ নির্ধারিত বার্ষিক ৬৫ দিনের ছুটির তালিকার মধ্যেই এই দু’দিন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে ৩ এবং ৪ মার্চ রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও সরকার পোষিত মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।

একই পথে হেঁটেছে পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদও (WBBPE)। প্রাথমিক এবং জুনিয়র বেসিক স্কুলগুলির জন্য যে বার্ষিক সূচি প্রকাশ করা হয়েছে, তাতেও ৩ ও ৪ মার্চ ছুটি রাখা হয়েছে। বছরের প্রথম পর্বের ছুটির তালিকার মধ্যেই এই দুই উৎসবের দিন বরাদ্দ করা হয়েছে। ছাত্রছাত্রী থেকে শিক্ষক—সকলেই এই টানা ছুটির সুবিধা পাবেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সপ্তাহের মাঝামাঝি এই টানা ছুটি সরকারি কর্মী ও শিক্ষার্থীদের জন্য এক বড় পাওনা। মঙ্গল ও বুধবার ছুটি থাকায় অনেকেই এই সুযোগে সপরিবারে দূরে কোথাও ঘুরে আসার পরিকল্পনাও সারতে পারেন। তবে বিজ্ঞপ্তিতে এও জানানো হয়েছে যে, স্থানীয় স্তরে কোনো বিশেষ প্রয়োজন বা জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে ছুটির ক্ষেত্রে সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট স্কুল বা দপ্তরের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।