আবর্জনার স্তূপে থরে থরে ভোটার কার্ড! রানীগঞ্জে চরম চাঞ্চল্য, ভোটের মুখে দানা বাঁধছে ষড়যন্ত্রের মেঘ?

ভোটের উত্তাপের মাঝেই এবার ভোটার কার্ড উদ্ধার ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল রানীগঞ্জে। অন্যদিকে, কোচবিহারের সিতাইয়ে এক নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠল এলাকা। দুই পৃথক ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা ও নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে বড়সড় প্রশ্ন।

রানীগঞ্জে আবর্জনার স্তূপে ভোটার কার্ডের পাহাড়:
রানীগঞ্জ শহরের চিনকুটি মোড় সংলগ্ন একটি আবর্জনার স্তূপ থেকে এদিন বিপুল পরিমাণ ভোটার কার্ড উদ্ধার করা হয়। ঘটনার সূত্রপাত এক যুবকের ফোন কলের মাধ্যমে। স্টেশন থেকে বাড়ি ফেরার পথে ওই যুবক জানতে পারেন যে, তাঁর নিজের নামের ভোটার কার্ড নাকি ডাস্টবিনে পড়ে আছে! ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনি দেখেন দাবিটি সত্যি। তবে ওই যুবকের দাবি, তাঁর আসল ভোটার কার্ডটি বাড়িতেই সুরক্ষিত রয়েছে এবং তিনি কাউকে সেটি দেননি। তাহলে হুবহু একই কার্ড আবর্জনায় এল কীভাবে?

স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়ম অনুযায়ী পুরনো কার্ড জমা দিলে তা সংশ্লিষ্ট দফতরেই নষ্ট করার কথা। কিন্তু জনসমক্ষে আবর্জনার স্তূপে এভাবে কার্ড ফেলে দেওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং প্রশাসনিক গাফিলতির পরিচয়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে সমস্ত কার্ড উদ্ধার করলেও, ভোটের মুখে এই ঘটনা কোনো বড় ষড়যন্ত্রের অংশ কি না, তা নিয়ে ধন্দ তৈরি হয়েছে।

সিতাইয়ে নাবালিকাকে হেনস্থা, ধৃত ১:
এদিকে সিতাইয়ের চামটা এলাকায় এক ১৩ বছর বয়সী কিশোরীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, গতকাল বিকেলে মুদি দোকানে একা থাকার সুযোগ নিয়ে জসীম মিঞা (১৬) নামে এক কিশোর সওদা কেনার অছিলায় দোকানে ঢোকে। এরপর সে কিশোরীর হাত ধরে টানাটানি করে এবং তাকে কুপ্রস্তাব দেয় বলে অভিযোগ। কিশোরী চিৎকার শুরু করলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। আজ সকালে ফের সে ওই এলাকায় ঘোরাঘুরি করতে এলে স্থানীয়রা তাকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। সিতাই থানার পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।