রঞ্জি ফাইনালে কাশ্মীরি দাপট! পুন্দিরের শতরানে কোণঠাসা কর্ণাটক, ইতিহাসের দোরগোড়ায় ভূ-স্বর্গ

রঞ্জি ট্রফির ইতিহাসে এক নতুন রূপকথার জন্ম দিতে চলেছে জম্মু ও কাশ্মীর। ২০২৫-২৬ মরসুমের হাই-ভোল্টেজ ফাইনালে শক্তিশালী কর্ণাটকের বিরুদ্ধে ম্যাচের দ্বিতীয় দিনের শেষে চালকের আসনে ভূ-স্বর্গের ক্রিকেটাররা। প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেটে ৫২৭ রানের বিশাল স্কোর খাড়া করে কর্ণাটককে কার্যত ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছে তারা। প্রথমবার ফাইনালে উঠেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্নে বুঁদ এখন জম্মু ও কাশ্মীরের ক্রিকেট মহল।

ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে জম্মু ও কাশ্মীরের ব্যাটিং লাইনআপ ছিল দেখার মতো। দুর্দান্ত ১২১ রানের ইনিংস খেলে কর্ণাটকের বোলারদের শাসন করেন শুভম পুন্দির। ওপেনার ইয়াবের হাসান (৮৮) অল্পের জন্য শতরান মিস করলেও অধিনায়ক পরশ ডোগরা (৭০), কানহাইয়া ওয়াধাওয়ান (৭০) এবং আবদুল সামাদের (৬১) ঝোড়ো ইনিংস কাশ্মীরকে রানের পাহাড়ে পৌঁছে দেয়। দিনের শেষে ৫৭ রানে অপরাজিত আছেন সাহিল লোতরা এবং তাঁকে সঙ্গ দিচ্ছেন আবিদ মুস্তাক (২০)। জম্মু ও কাশ্মীর যে এখনই ইনিংস ডিক্লেয়ার করবে না, তা তাঁদের ব্যাটিং ভঙ্গি থেকেই পরিষ্কার।

কর্ণাটকের হয়ে অভিজ্ঞ প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ৩ উইকেট নিলেও বাকি বোলাররা বিশেষ সুবিধা করতে পারেননি। ৯০ রান খরচ করে ৩ উইকেট নেওয়া কৃষ্ণের লড়াই কাশ্মীরি ব্যাটারদের রোখার জন্য যথেষ্ট ছিল না। ম্যাচের যা পরিস্থিতি, তাতে কর্ণাটককে অলআউট করে প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থাকাই এখন জম্মু ও কাশ্মীরের প্রধান লক্ষ্য। কারণ, ম্যাচ অমীমাংসিত থাকলে প্রথম ইনিংসে লিড নেওয়া দলটিই হবে রঞ্জি চ্যাম্পিয়ন। তৃতীয় দিনে কর্ণাটকের ব্যাটারদের জন্য এক অগ্নিপরীক্ষা অপেক্ষা করছে।