‘ভোটগণনায় কারচুপি হলে ঝাড়খণ্ড জ্বলবে!’ শাসকদলকে চরম হুঁশিয়ারি বিজেপি রাজ্য সভাপতি আদিত্য সাহুর

ঝাড়খণ্ডের ৪৮টি পুরসভার নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পরই উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজ্যের রাজনীতি। সোমবার ভোটগ্রহণ শেষ হতেই ঝাড়খণ্ড বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ আদিত্য সাহু শাসকদল জেএমএম (JMM) ও পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ গুরুতর অভিযোগ আনলেন। তাঁর দাবি, ভোটগণনায় যদি কোনোভাবে কারচুপি করার চেষ্টা হয়, তবে বিজেপি কর্মীরা রাজপথে নেমে আন্দোলনের মাধ্যমে রাজ্য অচল করে দেবেন।
আদিত্য সাহুর অভিযোগ, পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় রাজ্য সরকার প্রতিটি বুথে প্রভাব খাটিয়েছে। তিনি বলেন, “২০ হাজারেরও বেশি ভোটকর্মী ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন এবং পোস্টাল ব্যালটের কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি। যেখানে বিজেপি সমর্থিত প্রার্থীদের জেতার সম্ভাবনা ছিল, সেখানেই প্রশাসনের মাধ্যমে ভোটারদের বাধা দেওয়া হয়েছে।” গেরুয়া গামছা পরে ভোট দিতে আসা ভোটারদের হেনস্থা করা হয়েছে এবং এক বিশেষ সম্প্রদায়ের ভোটারদের পরিচয়পত্র ছাড়াই ভোট দিতে সাহায্য করেছে পুলিশ—এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ তাঁর।
বিজেপি সভাপতির দাবি অনুযায়ী, মেদিনীনগর, গাড়োয়া, গিরিডি এবং জামশেদপুরের মতো এলাকাগুলোতে শাসকদলের কর্মীরা অস্ত্র নিয়ে ভোটারদের ভয় দেখিয়েছে। এমনকি চক্রধরপুর ও চাকুলিয়াতে টাকা বিলি করার অভিযোগও তুলেছেন তিনি। আদিত্য সাহু স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, রাজ্য সরকার মেয়র এবং কাউন্সিলর পদের ভোট একই বক্সে নিয়ে গণনার সময় কারচুপির ছক কষেছে। তবে মানুষের আশীর্বাদ বিজেপির সঙ্গেই আছে এবং বিজেপি সমর্থিত প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত বলে তিনি দাবি করেন।