শরতের নয়, বসন্তেরই দেবী দুর্গার আসল আবাহন! ২০২৬-এর চৈত্র নবরাত্রিতে মায়ের আগমন ও গমনে অশনি সংকেত?

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণের মধ্যে বসন্তের অন্যতম বড় উৎসব হলো বাসন্তী পূজা। শাস্ত্র মতে, রাজা সুরথ ও বৈশ্য সমাধি ঋষি মেধসের আশ্রমে এই চৈত্র মাসেই প্রথম দেবী দুর্গার আরাধনা করেছিলেন। ২০২৬ সালের বাসন্তী পূজার সম্পূর্ণ নির্ঘণ্ট ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। এবার দেবী দুর্গার আগমন ও গমন— দুই-ই ঘটছে ঘোটক বা ঘোড়ায়, যা জ্যোতিষশাস্ত্র মতে যুদ্ধের ইঙ্গিতবাহী বলে মনে করা হচ্ছে।
২০২৬ বাসন্তী পূজার নির্ঘণ্ট:
-
মহাষষ্ঠী (২৪শে মার্চ, মঙ্গলবার): দেবীর বোধন ও আমন্ত্রণ। ষষ্ঠী তিথি শুরু হচ্ছে ২৩শে মার্চ রাতে।
-
মহাসপ্তমী (২৫শে মার্চ, বুধবার): নবপত্রিকা স্নান ও সপ্তমীর বিহিত পূজা। তিথি শেষ হবে বিকেল ৪টে ৪৯ মিনিটে।
-
মহাষ্টমী (২৬শে মার্চ, বৃহস্পতিবার): পুজোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ সন্ধিপূজা। ২৬শে মার্চ দুপুর ২টো ৬ মিনিট থেকে দুপুর ২টো ৫৪ মিনিট পর্যন্ত চলবে সন্ধিপূজার মাহেন্দ্রক্ষণ।
-
মহানবমী (২৭শে মার্চ, শুক্রবার): নবমী তিথি শেষ হবে দুপুর ১২টা ২১ মিনিটে।
-
বিজয়াদশমী (২৮শে মার্চ, শনিবার): প্রতিমা বিসর্জন ও সিঁদুর খেলা।
শারদীয়া দুর্গাপূজাকে ‘অকালবোধন’ বলা হলেও বাসন্তী পূজায় আলাদা করে বোধনের প্রয়োজন হয় না, কারণ এই সময় দেবী দুর্গা প্রকৃতিতে জাগ্রত থাকেন বলেই বিশ্বাস। উত্তর ভারতে এটি চৈত্র নবরাত্রি হিসেবে নয় দিন ধরে পালিত হলেও বাংলায় বাসন্তী পোলাও ও সাবেকিয়ানা নিয়ে বনেদি বাড়িতে আজও এই উৎসব অমলিন।