গোপনাঙ্গে স্যানিটাইজার ঢেলে খুনের চেষ্টা! গুরুগ্রামে লিভ-ইন পার্টনারের হাতে নারকীয় অত্যাচারের শিকার তরুণী

ডেটিং অ্যাপ থেকে শুরু হওয়া প্রেম যে এমন ভয়ংকর রূপ নেবে, তা কল্পনাও করতে পারেননি ত্রিপুরার ১৯ বছরের এক ছাত্রী। গুরুগ্রামে পড়তে এসে দিল্লির যুবক শিবমের সঙ্গে লিভ-ইন শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সেই প্রেমিকের হাতেই পৈশাচিক নির্যাতনের শিকার হতে হলো তাঁকে। অভিযোগ, সন্দেহের বশে শিবম ওই ছাত্রীর মাথায় স্টিলের বোতল ও মাটির পাত্র দিয়ে আঘাত করে, এবং নৃশংসতার সীমা ছাড়িয়ে তাঁর গোপনাঙ্গে স্যানিটাইজার ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে।

নির্যাতিতার বয়ান অনুযায়ী, তাঁর পা ছুরি দিয়ে চিরে দেওয়া হয়েছিল এবং নগ্ন ভিডিও তুলে ব্ল্যাকমেলও করা হতো। উদ্ধারের পথ না পেয়ে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রাতে শিবমের ফোন থেকেই নিজের মাকে ফোন করেন তরুণী। শিবম বাংলা বোঝে না, এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজের মাতৃভাষায় আর্তনাদ করে ওঠেন মেয়ে— “বেঁচে দেখতে চাইলে এসে খুঁজে বের করো।” মেয়ের মা নিজে একজন পুলিশকর্মী হওয়ায় দ্রুত গুরুগ্রাম পুলিশকে খবর দেন এবং পিজি থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় মেয়েকে উদ্ধার করা হয়।

বর্তমানে দিল্লির হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন ওই তরুণী। অভিযুক্ত শিবমকে গ্রেপ্তার করা হলেও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রতিনিধি ও আইনজীবী রীনা রাই অভিযোগ করেছেন, পুলিশ লঘু ধারায় মামলা করে অপরাধীকে আড়াল করার চেষ্টা করছে। খুনের চেষ্টা বা ধর্ষণের মতো কঠোর ধারা কেন প্রয়োগ করা হলো না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।