জলাজমি বুজিয়ে বাড়ি তৈরির অভিযোগ; হুমায়ুন-পত্নী মীরাকে ৭ দিনের চরমপত্র প্রশাসনের

ভোটের মুখে ফের অস্বস্তিতে ‘জনতা উন্নয়ন পার্টি’-র প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। মাদক মামলায় মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে পুলিশি অভিযানের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের নোটিস পৌঁছাল হুমায়ুনের স্ত্রী মীরা সুলতানার কাছে। অভিযোগ, মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে যে বাড়িতে বিধায়ক সপরিবারে বসবাস করেন, সেটি আদতে জলাজমি বুজিয়ে তৈরি করা হয়েছে। আগামী ৭ দিনের মধ্যে এই বিষয়ে সন্তোষজনক জবাব তলব করেছে প্রশাসন।
হুমায়ুনের যুক্তি ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ: বিপাকে পড়েও পিছু হটতে নারাজ হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি, ২০০৩ সালে যখন তিনি রেজিনগরের ঠাকুর পরিবারের থেকে এই জমি কেনেন, তখন সেটি ভরাট অবস্থাতেই ছিল। ২০০৫ সালে পঞ্চায়েতের অনুমতি নিয়েই তিনি সেখানে পাকাবাড়ি তৈরি শুরু করেন। হুমায়ুনের বক্তব্য, “১৮ বছর ধরে এই বাড়িতে থাকছি, তখন কোনো সমস্যা হলো না? আসলে আমি এখন শাসকদলের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছি, তাই বেছে বেছে আমার পরিবারকে আক্রমণ করা হচ্ছে।” দলিলে তাঁর চার ভাইয়ের সই আছে এবং সমস্ত নথি বৈধ বলেও দাবি করেছেন তিনি।
পাল্টা জবাব তৃণমূলের: এই নোটিস ঘিরে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, এটি সম্পূর্ণ একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। যদি আইন লঙ্ঘন করে জলাজমি বোজানো হয়ে থাকে, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর পেছনে রাজনীতির কোনো যোগ নেই বলেই দাবি তাঁর।