সিপিএম ছেড়ে কি এবার তৃণমূলে প্রতীক উর? জল্পনা উসকে দিয়ে বড়সড় ইঙ্গিত দিলেন কুণাল ঘোষ!

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের মুখে বড়সড় ভাঙনের মুখে আলিমুদ্দিন? সিপিএমের লড়াকু ও তরুণ মুখ প্রতীক উর রহমানের মহম্মদ সেলিমকে লেখা ইস্তফাপত্র প্রকাশ্যে আসতেই বাংলার রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করেছে। জল্পনা ছড়িয়েছে, প্রতীক কি এবার ঘাসফুল শিবিরে নাম লেখাতে চলেছেন? এই বিতর্কিত ইস্যুতেই এবার মুখ খুলে জল্পনার আগুনে ঘি ঢাললেন তৃণমূলের রাজ্য মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।

সিপিএমে দমবন্ধ পরিবেশ: প্রতীক উরের তৃণমূলে যোগদান নিয়ে কুণাল ঘোষের স্পষ্ট উত্তর, “যদির কথা নদীর পাড়ে। এখনই এই নিয়ে কথা বলব না।” তবে তিনি সিপিএমের অন্দরের ক্ষোভকে হাতিয়ার করতে ছাড়েননি। কুণালের দাবি, “সিপিএম দলটা এখন পচে গিয়েছে। ওখানে নতুন প্রজন্মের নেতাদের দমবন্ধ হচ্ছে। মহম্মদ সেলিম বনাম সুজন চক্রবর্তীর লড়াইয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন লড়াকু কর্মীরা। সেলিমের ঘনিষ্ঠরা সব সময় কাঠিবাজি করছে।”

আদর্শ বনাম গোষ্ঠীকোন্দল: কুণাল ঘোষ আরও বলেন, প্রতীক উরের মতো ডেডিকেটেড নেতারা আজও আদর্শ আঁকড়ে থাকতে চান। তাঁর কথায়, “প্রতীক উরকে কেউ ২২ লক্ষ টাকার গাড়ি দিলেও তিনি চড়বেন না, সেই বিশ্বাস ওঁর আছে।” তবে দলের অন্দরের এই বিভাজন আর তরুণরা মেনে নিতে পারছেন না বলেই প্রতীকের এই পদক্ষেপ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বিমান বসুর মধ্যস্থতা: সূত্রের খবর, নির্বাচনের মুখে এমন বড় ধাক্কা সামলাতে মাঠে নেমেছেন খোদ বিমান বসু। তিনি প্রতীককে নিরস্ত করার চেষ্টা করছেন। তবে প্রতীক উর নিজে এখনও তৃণমূলে যাওয়ার খবর অস্বীকার না করায় জল্পনা জিইয়ে রয়েছে। নির্বাচনের ঠিক আগে কি প্রতীককে দেখা যাবে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায়? উত্তর লুকিয়ে আছে সময়ের গর্ভে।