খুন করে লাশের পাশে মদ্যপান, তারপর ‘প্ল্যানচেট’! এমবিএ ছাত্রীর মৃত্যুতে হাড়হিম করা তথ্য।

মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে এক মেধাবী এমবিএ ছাত্রীর হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে যে তথ্য সামনে আসছে, তা কোনো ভয়ানক থ্রিলার সিনেমাকেও হার মানায়। বিয়ের চাপ নাকি প্রতিহিংসা? সম্পর্কের টানাপোড়েনের চরম পরিণতিতে প্রাণ হারালেন এক তরুণী। অভিযুক্ত প্রেমিকের বিকৃত মানসিকতা দেখে তাজ্জব দুঁদে পুলিশ আধিকারিকরাও।
সিসিটিভি-তে ধরা পড়ল সেই মুহূর্ত গত ১০ ফেব্রুয়ারি প্রেমিকাকে নিজের বাড়িতে ডেকেছিল অভিযুক্ত যুবক। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, তরুণী হাসিমুখেই ভেতরে ঢুকছেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই দেখা যায়, সেই যুবক একা একটি বিশাল বড় ব্যাগ নিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। এরপরই নিখোঁজ তরুণীর সন্ধানে নেমে পুলিশ উদ্ধার করে তাঁর নিথর দেহ।
নারকীয় উল্লাস ও বিকৃত আচরণ তদন্তে উঠে এসেছে ভয়ঙ্কর তথ্য। অভিযোগ, বিয়ের কথা বলায় বচসা শুরু হলে প্রথমে তরুণীকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়। এরপর হাত-পা ও মুখ বেঁধে শ্বাসরোধ করে খুন করে ওই যুবক। নৃশংসতার এখানেই শেষ নয়; খুনের পর মৃতদেহের পাশেই বসে মদ্যপান করে সে এবং মরদেহের সঙ্গে অত্যন্ত বিকৃত আচরণ করে। এমনকি তরুণীর ফোন থেকে ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার হীন চেষ্টাও চালায়।
ইউটিউবে ‘আত্মা ডাকার’ চেষ্টা! মুম্বইয়ের পানভেল থেকে গ্রেফতার হওয়ার পর অভিযুক্তের বয়ানে থমকে গেছে পুলিশ। পালানোর সময় সে ক্রমাগত ইউটিউবে সার্চ করছিল— ‘কীভাবে মৃত মানুষের আত্মা ডাকা যায়?’ সে পুলিশের কাছে দাবি করেছে, প্রেমিকার আত্মার কাছে ক্ষমা চাইতেই সে প্ল্যানচেট করতে চেয়েছিল।
তদন্তে নয়া মোড় পুলিশ বর্তমানে ডিজিটাল প্রমাণ ও ফরেনসিক রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে মামলা সাজাচ্ছে। অভিযুক্তের মধ্যে চরম আবেগীয় অস্থিরতা ও সাইকোপ্যাথিক লক্ষ্মণ দেখছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা।