সীমান্তে বিপদের মেঘ! ‘চিকেনস নেক’ নিয়ে মমতাকে কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর, জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে বিস্ফোরক বিরোধী দলনেতা

বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলিতে উগ্র মতাদর্শের প্রসার নিয়ে রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার একটি চাঞ্চল্যকর ‘ইনফোগ্রাফিক’ শেয়ার করে তিনি দাবি করেছেন, বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্ত ঘেঁষা আসনগুলিতে ‘জামায়াতে ইসলামী’-র মতো কট্টরপন্থী সংগঠনের প্রভাব বাড়ছে, যা পশ্চিমবঙ্গের তথা ভারতের নিরাপত্তার জন্য এক অশনি সংকেত।
শুভেন্দুর মতে, সাতক্ষীরা থেকে রংপুর পর্যন্ত বিস্তৃত এই সীমান্ত অঞ্চল উত্তর ২৪ পরগনা, নদীয়া, মালদা ও উত্তর দিনাজপুরের ঠিক উল্টো দিকে অবস্থিত। সীমান্তের ওপারে এই আদর্শগত সংহতি বৃদ্ধি পেলে ভারতের কৌশলগত ‘চিকেনস নেক’ বা শিলিগুড়ি করিডর বিপন্ন হতে পারে। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “জমি জটের কারণে বহু জায়গায় বিএসএফ (BSF) কাঁটাতারের বেড়া দিতে পারছে না। ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য জাতীয় নিরাপত্তাকে বাজি রাখা হচ্ছে।”
পাশাপাশি, সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও মাদ্রাসা শিক্ষায় বিপুল বরাদ্দ বৃদ্ধি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। তাঁর দাবি, ২০১১ সালের তুলনায় এই খাতে বরাদ্দ ১১১১ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও তার সঠিক নজরদারি হচ্ছে না, যা চরমপন্থী শক্তির পরিকাঠামো হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। শুভেন্দুর স্পষ্ট বার্তা, “পশ্চিমবঙ্গের নিরাপত্তাই ভারতের নিরাপত্তা। তোষণের রাজনীতি বন্ধ করে সীমান্তে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিতে হবে।” ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে শুভেন্দুর এই সীমান্ত-সুরক্ষা মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন তর্কের জন্ম দিয়েছে।