অশুভ শক্তি বিনাশে শিবরাত্রির মহা-মন্ত্র; বেলপাতা আর মহামৃত্যুঞ্জয় জপেই কি ঘুরবে আপনার ভাগ্যের চাকা?

আজ মহাশিবরাত্রি। ফাল্গুন মাসের এই কৃষ্ণপক্ষীয় চতুর্দশী তিথিকে শাস্ত্রে ‘মহাদেবের জাগরণের রাত’ বলা হয়। বিশ্বাস করা হয়, ভক্তিভরে দেবাদিদেব শিবের আরাধনা করলে কেবল জীবনের বাধাবিঘ্নই দূর হয় না, বরং সৌভাগ্যের নতুন দ্বার উন্মুক্ত হয়। রাশিফল বলছে, এই বিশেষ দিনটি অনেকের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
সৌভাগ্য ফেরাতে কী করবেন?
-
পঞ্চামৃত অভিষেক: ভোরে স্নান সেরে শুদ্ধবস্ত্রে শিবলিঙ্গে জল, দুধ, মধু ও গঙ্গাজল দিয়ে অভিষেক করুন। এতে জীবনের নেতিবাচক শক্তি দূর হয়।
-
বেলপাতার ম্যাজিক: মহাদেবের প্রিয় ত্রিনয়নাকৃতি বেলপাতা। তিনটি পাতা অখণ্ড অবস্থায় রেখে ‘ওঁ নমঃ শিবায়’ মন্ত্রে নিবেদন করলে মনোবাসনা পূর্ণ হয়। সঙ্গে দিতে পারেন ধুতুরা ও আকন্দ ফুল।
-
মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র: কর্মজীবনে উন্নতি আর দীর্ঘায়ু পেতে শিবরাত্রির রাতে ১০৮ বার মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র জপ করার পরামর্শ দিচ্ছেন জ্যোতিষীরা।
-
বিবাহের বাধা কাটাতে: যাঁদের বিয়েতে সমস্যা হচ্ছে, তাঁরা শিব-পার্বতীর যুগল মূর্তির পুজো করলে শুভ ফল পেতে পারেন।
দান-পুণ্যের গুরুত্ব: এই পবিত্র দিনে অভাবী মানুষকে অন্ন, বস্ত্র বা কালো তিল দান করা অত্যন্ত শুভ। শাস্ত্র মতে, আজকের দিনে দান করলে জন্ম-জন্মান্তরের পাপ ক্ষয় হয়। তবে মনে রাখবেন, পুজো ও উপবাসের সময় মনকে শান্ত রাখা জরুরি। রাগ, বিবাদ বা মিথ্যে কথা আপনার পুজোর ফল নষ্ট করে দিতে পারে।