তারেকের শপথে মোদী! ঢাকা থেকে এল বড় খবর, ১৭ ফেব্রুয়ারি কোন কোন রাষ্ট্রনেতা থাকছেন হাসিনার বিকল্পের পাশে?

বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান। ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এই হাই-ভোল্টেজ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কূটনৈতিক মহলে এই আমন্ত্রণকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ বিগত এক দশকে ভারতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্কে যে শৈত্য দেখা গিয়েছিল, তা কাটিয়ে নতুন করে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ার বার্তা দিচ্ছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন দল।

শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী মোদী ছাড়াও পাকিস্তান, চিন, সৌদি আরব, তুরস্ক, মালয়েশিয়া এবং কাতারসহ মোট ১৩টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তালিকায় রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী দেশ নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপও। প্রধানমন্ত্রী মোদীকে পাঠানো আমন্ত্রণের জবাবে বিএনপি সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছে, তাঁরা ভারতের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ভিত্তিতে এক বহুমুখী সম্পর্ক গড়ে তুলতে আগ্রহী। তবে কূটনৈতিক সূত্রের খবর, ওই দিন মুম্বইয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি থাকায় নরেন্দ্র মোদীর সশরীরে ঢাকায় উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা ক্ষীণ। সেক্ষেত্রে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর অথবা উপরাষ্ট্রপতি। ৩৫ বছর পর বাংলাদেশের মসনদে ফিরছে খালেদা জিয়ার উত্তরসূরি তারেক রহমান, আর সেই মাহেন্দ্রক্ষণকে ঘিরে এখন সাজ সাজ রব ওপার বাংলায়।