ভারত-পাক ম্যাচে হ্যান্ডশেক হবে? সূর্যকুমারের সৌজন্য নিয়ে কেন কাঁপছে পাকিস্তান?

মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই মাঠের বাইরের স্নায়ুযুদ্ধ তুঙ্গে। রবিবাসরীয় ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথকে ঘিরে যখন ক্রিকেটবিশ্ব ফুটছে, ঠিক তখনই শিরোনামে উঠে এল দুই অধিনায়কের ‘হ্যান্ডশেক’ বা করমর্দন প্রসঙ্গ। গত এশিয়া কাপে সূর্যকুমার যাদবের সেই বহুল চর্চিত ‘হ্যান্ডশেক রিফিউজাল’-এর পর এবার কী করবেন পাক অধিনায়ক সলমান আলি আগা?

শনিবার ম্যাচের আগের সাংবাদিক বৈঠকে পাক অধিনায়ক স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তাঁর দল সৌজন্য বজায় রাখতে প্রস্তুত। তবে বল ঠেলে দিলেন ভারতের কোর্টেই। আগার কথায়, “হ্যান্ডশেক হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত ভারতের ওপরই নির্ভর করছে। ক্রিকেটকে তার নিজস্ব স্পিরিটেই খেলা উচিত।”

কেন এই ‘হ্যান্ডশেক’ বিতর্ক?

বিতর্কের সূত্রপাত গত বছর। পহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলার আবহে এশিয়া কাপে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দেশ। সেই ম্যাচে টসের সময় ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব পাক অধিনায়কের সঙ্গে হাত মেলাতে অস্বীকার করেন। শুধু তাই নয়, ম্যাচ জেতার পর প্রথাগত সৌজন্য বিনিময় না করেই ডাগআউটে ফিরে গিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া।

এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (PCB) আইসিসি-র কাছে নালিশ জানায় এবং ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফ্টকে সরানোর দাবিও তোলে। এমনকি এই বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটের হুমকিও দিয়েছিল তারা। তবে আইসিসি-র চাপে শেষ পর্যন্ত পিছু হটে পাকিস্তান।

সূর্য কি এবারও অনড়?

পাক অধিনায়ক বরফ গলানোর ইঙ্গিত দিলেও ভারতীয় শিবির কিন্তু এখনও কড়া অবস্থানে। পহেলগাঁও ঘটনার রেশ এবং সীমান্তের উত্তেজনা ভুলে টিম ইন্ডিয়া কি সৌজন্য দেখাবে? সলমান আলি আগা বলেন, “ওরা কী করবে সেটা ওদের সিদ্ধান্ত। কাল মাঠেই দেখা যাবে কী হয়।” কলম্বোর আকাশে বৃষ্টির ভ্রুকুটি থাকলেও ক্রিকেটপ্রেমীদের নজর এখন স্রেফ টসের মুহূর্তটির দিকে। ২২ গজের লড়াইয়ের আগে দুই অধিনায়ক হাত মেলাবেন, নাকি তিক্ততা আরও বাড়বে? উত্তর মিলবে রবিবার।