“৩ দিনে ১০ হাজার কন্ডোম শেষ”-জেনেনিন অলিম্পিক ভিলেজে চলছে কী?

ইতালির মিলান-কর্টিনায় ২০২৬ সালের শীতকালীন অলিম্পিক শুরু হতে না হতেই এক আজব পরিস্থিতির মুখে আয়োজকরা। প্রতিযোগিতার মাত্র ৩ দিনের মাথায় অ্যাথলিট ভিলেজে সরবরাহ করা সমস্ত বিনামূল্যের কন্ডোম শেষ হয়ে গেছে। দেওয়া হয়েছিল প্রায় ১০ হাজার প্যাকেট, কিন্তু ক্রীড়াবিদদের ‘অপ্রত্যাশিত’ চাহিদার চাপে এখন ভাঁড়ার শূন্য!

চাহিদার চাপে দিশেহারা আয়োজক কমিটি: কর্টিনা ডি’আম্পেজ্জোর অ্যাথলিট ভিলেজে প্রায় ২,৯০০ ক্রীড়াবিদ রয়েছেন। তাঁদের জন্য শুরুতে ৯,৭০০টি কন্ডোম মজুত রাখা হয়েছিল। কিন্তু আয়োজকদের হিসেব উল্টে দিয়ে মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই সেই স্টক খালি হয়ে গেছে। দ্রুত ঘাটতি মেটাতে এখন নতুন করে সরবরাহের তোড়জোড় চালাচ্ছে প্রশাসন।

কেন এই ঘাটতি?

  • পরিকল্পনার অভাব: প্যারিস গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে ১০ হাজার অ্যাথলিটের জন্য ছিল ২ লক্ষাধিক কন্ডোম। সেই তুলনায় মিলানে ২,৯০০ জনের জন্য মাত্র ১০ হাজার কন্ডোম রাখা ছিল নামমাত্র।

  • কোভিড-পরবর্তী মেলামেশা: টোকিও অলিম্পিকে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার কড়া বিধিনিষেধ ছিল। কিন্তু এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় ভিলেজে খেলোয়াড়দের মধ্যে মেলামেশা ও ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে কয়েক গুণ।

  • সীমিত পরিসর: অলিম্পিক ভিলেজে খেলোয়াড়রা কয়েক সপ্তাহ একসঙ্গে কাটান। নিরাপদ যৌন আচরণের বার্তা দিতেই দশকের পর দশক ধরে এই সুরক্ষাসামগ্রী বিতরণের রীতি চলে আসছে।

“আমরা জানতাম চাহিদা থাকবে, কিন্তু মাত্র তিন দিনে ১০ হাজার প্যাকেট শেষ হয়ে যাবে এটা অভাবনীয়। আমরা দ্রুত নতুন মজুত আনার চেষ্টা করছি।” — আয়োজক কমিটির এক সদস্য।

বরফ ঢাকা শীতকালীন অলিম্পিকের মঞ্চে এই ‘গরম’ খবরটি এখন আন্তর্জাতিক ক্রীড়া মহলের আলোচনার প্রধান বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।