ফেসবুক বা ফেসক্রিমকেও হার মানাচ্ছে কন্ডোম! উৎসবের মরশুমে কেন হু হু করে বাড়ছে বিক্রি? অবাক করবে তথ্য

উৎসবের মরশুম মানেই আনন্দ, উদ্যাপন আর ছুটি। কিন্তু এই আনন্দের মাঝে এক অভাবনীয় তথ্য উঠে আসছে বাজার বিশেষজ্ঞদের সমীক্ষায়। দেখা যাচ্ছে, উৎসবের দিনগুলিতে সাধারণ প্রসাধন সামগ্রী বা ফেসক্রিমের চেয়েও কয়েক গুণ বেশি হারে বিক্রি হচ্ছে কন্ডোম। বিশেষ করে ভ্যালেন্টাইনস ডে বা নবরাত্রির মতো সময়ে এর চাহিদা আকাশছোঁয়া হয়ে ওঠে।
উৎসব ও কন্ডোম: গুজরাত থেকে বাংলা
বিভিন্ন সূত্রের খবর অনুযায়ী, গুজরাত ও ভারতের উত্তরের রাজ্যগুলিতে নবরাত্রির সময় কন্ডোম বিক্রির পরিমাণ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। ঠিক একই চিত্র দেখা যায় ১৪ই ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ ভালোবাসার দিনেও। এই দিনে যুগলরা নিজেদের প্রিয় মানুষের সঙ্গে সময় কাটাতে পছন্দ করেন, আর সেই সময় সুরক্ষাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন তাঁরা।
কেন বাড়ছে এই চাহিদা?
ওষুধ বিক্রেতা ও বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, এর প্রধান কয়েকটি কারণ হলো:
ছুটির মেজাজ: কাজের ব্যস্ততা কাটিয়ে উৎসব বা সপ্তাহান্তে মানুষ যখন একটু ‘ফ্রি মুড’ কাটান, তখনই এর চাহিদা তুঙ্গে থাকে।
বিজ্ঞাপন ও সচেতনতা: লাগাতার প্রচার ও বিজ্ঞাপনের ফলে এখন কন্ডোম কিনতে আর আগের মতো দ্বিধা বা লজ্জা কাজ করে না। মানুষ একে স্বাস্থ্যরক্ষার একটি অতি প্রয়োজনীয় সামগ্রী হিসেবেই দেখছেন।
স্বাস্থ্য সচেতন নতুন প্রজন্ম: বর্তমান প্রজন্মের তরুণ-তরুণী বা কলেজ পড়ুয়ারা শরীরের বিষয়ে কোনো আপোসে রাজি নন। বিয়ের আগে বা লিভ-ইন সম্পর্কের ক্ষেত্রেও তাঁরা যথেষ্ট দায়িত্বশীল।
লজ্জা নয়, প্রয়োজন
বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, আগে কন্ডোম কিনতে গেলে মানুষ যে জড়তা দেখাতেন, এখন তা অনেকটাই কমেছে। এখন নিদ্বিধায় মানুষ দোকানে গিয়ে এটি কিনতে পারেন। অনলাইন ডেলিভারি অ্যাপগুলির সুবিধাও এই বিক্রি বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা পালন করছে। সুরক্ষিত যৌন জীবন এবং পরিবার পরিকল্পনার এই সচেতনতা সমাজ পরিবর্তনেরই এক ইতিবাচক ইঙ্গিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।