৬৫ বছরের বৃদ্ধা শ্রাবন্তী! ‘ঠাকুমার ঝুলি’র প্রথম ঝলকেই চেনাই দায় অভিনেত্রীকে, কীসের রহস্য লুকিয়ে বিষ্ণুপুরে?

হইচই-এর পর্দায় এবার নতুন ধামাকা! তবে রূপকথার গল্প নয়, এক হাড়হিম করা রহস্য নিয়ে ফিরছেন শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। প্রকাশ্যে এল ‘ঠাকুমার ঝুলি’ ওয়েব সিরিজের প্রথম ঝলক, যেখানে শ্রাবন্তীকে দেখা যাচ্ছে পঁয়ষট্টি বছরের এক তীক্ষ্ণবুদ্ধি সম্পন্ন নারী ‘গিরিজাবালা সান্যাল’-এর চরিত্রে। গ্ল্যামারাস ইমেজ ঝেড়ে ফেলে বৃদ্ধার লুকে শ্রাবন্তীর এই রূপান্তর ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।
কে এই গিরিজাবালা সান্যাল?
বিষ্ণুপুরের প্রেক্ষাপটে তৈরি এই গল্পের কেন্দ্রে রয়েছেন গিরিজাবালা। অল্প বয়সে স্বামী এবং পরে একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে আজ তিনি বড়ই একা। কথা বলেন কম, কিন্তু তাঁর পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা অসাধারণ। তাঁর নিঃসঙ্গ জীবনের সঙ্গী কেবল তিন প্রিয় বিড়াল— হরি, বেলা এবং ফন্টে। কড়া শৃঙ্খলা আর শৃঙ্খলিত জীবনই তাঁর পরিচয়।
গল্পের মোড়: খুনের নেপথ্যে কি ষড়যন্ত্র?
গল্পে গতি আসে যখন গিরিজাবালার নাতনি যাজ্ঞসেনী (দিব্যাণী) বিদেশ থেকে ভারতে ফেরে। যাজ্ঞসেনী ক্রিমিনাল সাইকোলজির ছাত্রী। তারা যোগ দিতে যায় এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের কন্যা আম্রপালী সিংহ রায়ের বিয়েতে। কিন্তু উৎসবের আবহেই ঘটে যায় বিপর্যয়— রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় আম্রপালীর। পুলিশ একে দুর্ঘটনা বলে উড়িয়ে দিতে চাইলেও, গিরিজাবালা প্রথম বুঝতে পারেন যে এর আড়ালে লুকিয়ে আছে বড় কোনো রহস্য।
ঠাকুমা-নাতনি গোয়েন্দা জুটির লড়াই
সত্য উদ্ঘাটনে কোমর বেঁধে নামে ঠাকুমা ও নাতনি। একদিকে গিরিজাবালার অভিজ্ঞতা আর অন্যদিকে যাজ্ঞসেনীর আধুনিক সাইকোলজিক্যাল বিশ্লেষণ— এই দুইয়ের মেলবন্ধন ঘাতকের মুখোশ খুলে দেবে কি না, তা নিয়েই এগিয়েছে সিরিজের গল্প।
এর আগে শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়কে ‘ইন্দুবালা’ সিরিজে বৃদ্ধার চরিত্রে দেখা গিয়েছিল। এবার শ্রাবন্তীর এই ‘গিরিজাবালা’ অবতার দর্শকের মনে কতটা জায়গা করে নেয়, সেটাই দেখার। পাশাপাশি টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখ দিব্যাণী ও শ্রাবন্তীর মুখের অদ্ভুত মিল নিয়েও নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।