পোকামাকড় খেয়েই বড় হয় এই মুরগি! ছাপরার কৃষকের অভিনব পদ্ধতিতে বাজিমাত, আয় হচ্ছে দ্বিগুণ

চিরাচরিত চাষবাসের পাশাপাশি পশুপালনে নতুন দিশা দেখাচ্ছেন বিহারের সরণ জেলার ছাপরার কৃষকরা। মাঞ্জি ব্লকের কালান গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ ইসহাক আনসারি গত ৭ বছর ধরে পোল্ট্রি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। আগে তিনি সাধারণ ‘উজালা’ জাতের মুরগি পালন করতেন, যাতে খরচ বেশি কিন্তু লাভের গুড় পিঁপড়েয় খেত। তবে এখন সোনালী এবং FFG-2 জাতের দেশি মুরগি পালন করে তিনি দ্বিগুণ আয়ের মুখ দেখছেন।
কেন এই পদ্ধতি সেরা? ইসহাক আনসারির মতে, দেশি মুরগি পালনের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। উজালা মুরগি যেখানে ঘনঘন অসুস্থ হয় এবং ওষুধের পিছনে প্রচুর খরচ হয়, সেখানে সোনালী ও FFG-2 জাতের মুরগি একেবারেই অসুস্থ হয় না বললেই চলে।
বিনা খরচে পুষ্টি: ইসহাক মুরগি পালনের জন্য একটি ছোট সীমানা তৈরি করেছেন। মুরগিগুলো সেখানেই চড়ে বেড়ায় এবং মাঠের পোকামাকড় ও ঝরে পড়া শস্য খেয়ে বড় হয়। ফলে বাইরে থেকে কেনা খাবারের ওপর নির্ভরতা কমেছে এবং মুরগির ওজনও দ্রুত বাড়ছে। মাত্র ৩ মাসেই একেকটি মুরগির ওজন প্রায় ২.৫ থেকে ৩ কেজি পর্যন্ত হচ্ছে।
লাভের খতিয়ান: সোনালী মুরগি প্রচুর ডিম পাড়ে এবং এর ডিমের বাজারদরও অনেক বেশি। অন্যদিকে, FFG-2 জাতটি মাংসের জন্য আদর্শ। বাজারে খামারের মুরগির তুলনায় দেশি মুরগির চাহিদা ও দাম দুটোই বেশি হওয়ায় গত এক বছরে ইসহাক আনসারির উপার্জন কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।