এয়ারপোর্টে পকেটে টান? আর নয়! মাত্র ১০ টাকায় চা আর ২০ টাকায় মিলবে গরম সমোসা!

বিমানবন্দরে এক কাপ চা বা এক বোতল পানির দাম মেটাতে গিয়ে কি আপনারও মনে হয়েছে যে পকেটে ‘ডাকাতি’ হচ্ছে? ১০ টাকার চায়ের জন্য ২০০ টাকা গোনার দিন এবার শেষ। সাধারণ মানুষের ‘সমোসা প্রেম’ এবং ‘চায়ের তৃষ্ণা’ মেটাতে কেন্দ্রীয় সরকার চালু করেছে ‘উড়ান যাত্রী ক্যাফে’ (UDAN Yatri Cafe)। এটি কেবল একটি ক্যাফে নয়, বরং মধ্যবিত্ত যাত্রীদের জন্য এক বড় স্বস্তি।
সূচনা ও প্রেক্ষাপট: ২০২৪ সালের সংসদ অধিবেশনে আম আদমি পার্টির সাংসদ রাঘব চাড্ডা বিমানবন্দরে খাবারের অস্বাভাবিক দাম নিয়ে সরব হয়েছিলেন। তাঁর সেই দাবির প্রেক্ষিতেই বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় এই জনহিতকর উদ্যোগ গ্রহণ করে।
কোথায় কোথায় চালু হয়েছে?
-
কলকাতা: দেশের মধ্যে প্রথম এই ক্যাফে চালু হয় ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে।
-
পুনে: এই ক্যাফেটি সম্পূর্ণভাবে নারী শক্তি দ্বারা পরিচালিত।
-
অন্যান্য শহর: চেন্নাই, আহমেদাবাদ, ভুবনেশ্বর, বিজয়ওয়াড়া, ইটানগর এবং হায়দ্রাবাদ বিমানবন্দরে (জানুয়ারি ২০২৬ থেকে) ইতিমধ্যেই এই পরিষেবা মিলছে।
মেনু ও দামের তালিকা: এখানে খাবারের গুণমান বজায় রেখে দাম রাখা হয়েছে অবিশ্বাস্য কম:
-
চা: মাত্র ১০ টাকা (কলকাতায় মিলছে খাঁটি ভাঁড়ের চা)।
-
কফি: মাত্র ২০ টাকা।
-
পানির বোতল: মাত্র ১০ টাকা।
-
সমোসা/বড়া পাও: মাত্র ২০ টাকা।
-
লোকাল স্পেশাল: বিজয়ওয়াড়ায় কচুরি বা চেন্নাইয়ে বড়া— সবই মিলবে সাধ্যের মধ্যে।
পরবর্তী লক্ষ্য: আগামী ৬ মাসের মধ্যে দিল্লি (IGIA), মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, কোচি এবং জয়পুর, লখনউ ও পাটনার মতো টিয়ার-২ শহরগুলিতেও এই ক্যাফে খোলার কাজ শেষ হবে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি বিমানবন্দরে আপাতত একটি করে এমন ক্যাফে থাকবে যাতে অন্যান্য ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন, আবার সাধারণ যাত্রীরাও সস্তায় বিকল্প পান।