চেক বাউন্স মানেই জেল! রাজপাল যাদবের সাজা থেকে নিন শিক্ষা, সামান্য ভুলে হতে পারে চরম বিপদ

আর্থিক লেনদেনে সামান্য অসাবধানতা কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে, তার জলজ্যান্ত উদাহরণ বলিউড অভিনেতা রাজপাল যাদব। ২০১০ সালের একটি পুরনো মামলায় বারবার চেক বাউন্স হওয়ার কারণে তাঁকে তিহার জেলে সাজা ভোগ করতে হচ্ছে। মুরালি প্রজেক্টস প্রাইভেট লিমিটেডের থেকে নেওয়া ৫ কোটি টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য তিনি যে চেকগুলি দিয়েছিলেন, সেগুলি বারবার বাউন্স হওয়ায় আদালত এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে।

আইন কেন এত কঠোর? ভারতী আইন অনুযায়ী, চেক বাউন্স হওয়া একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্টের ১৩৮ ধারা অনুযায়ী:

  • চেক বাউন্স হলে পাওনাদার আইনি নোটিশ পাঠাতে পারেন।

  • নোটিশ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে টাকা পরিশোধ না করলে মামলা হতে পারে।

  • দোষী সাব্যস্ত হলে ২ বছর পর্যন্ত জেল এবং চেকের অঙ্কের দ্বিগুণ জরিমানা হতে পারে।

আর্থিক ও ক্রেডিট স্কোরের ক্ষতি আইনি ঝামেলার আগেই আপনার পকেটে টান পড়ে। চেক বা অটো-ডেবিট (NACH) ব্যর্থ হলে ব্যাঙ্ক মোটা টাকা জরিমানা কাটে। এর ফলে আপনার ক্রেডিট স্কোর (CIBIL) দ্রুত পড়ে যায়। একবার ক্রেডিট স্কোর খারাপ হলে ভবিষ্যতে হোম লোন বা পার্সোনাল লোন পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

বাঁচতে কী করবেন? ১. অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স আছে কি না তা EMI বা চেক প্রদানের আগে নিশ্চিত করুন। ২. ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট পরিবর্তন করলে বা বন্ধ করলে দ্রুত ম্যান্ডেট আপডেট করুন। ৩. প্রযুক্তিগত কারণে পেমেন্ট ফেইল হলে সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে লিখিতভাবে জানান।