নামেই তারা, কাজেও হীরা! কৃষকদের জন্য ‘এনি টাইম মানি’ এই ফল, জানুন কামরাঙা চাষের ম্যাজিক

মির্জাপুরের বরকচা খুর্দ গ্রামের বাসিন্দা জিতেন্দ্র কুমার মৌর্য প্রমাণ করেছেন যে সঠিক ফসল নির্বাচন করলে চাষবাস কতটা লাভজনক হতে পারে। পরীক্ষামূলকভাবে মাত্র একটি গাছ দিয়ে শুরু করলেও, বর্তমানে তিনি বড় পরিসরে কামরাঙা বা স্টার ফ্রুট চাষ করে মোটা টাকা আয় করছেন।

কেন একে ‘এটিএম’ বলা হয়? কামরাঙা চাষ কৃষকদের জন্য একটি নিশ্চিত আয়ের উৎস। রোপণের মাত্র ৬ মাস পর থেকেই এই গাছে ফল ধরতে শুরু করে। সবথেকে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এই গাছ বছরে তিনবার ফল দেয়। একবার ফলন তোলা হলে মাত্র এক মাসের মধ্যেই নতুন করে ফল ধরা শুরু হয়। বাজারে এর চাহিদা এতটাই যে, এক একটি কামরাঙা ৮ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত দামে বিক্রি হয়।

পুষ্টিগুণ ও ব্যবহার ক্যালসিয়াম এবং আয়রনে ভরপুর এই ফলটি স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। টক-মিষ্টি স্বাদের কামরাঙা শুধু ফল হিসেবেই নয়, বরং চাটনি বা আচার হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে গরমকালে এর চাহিদা তুঙ্গে থাকে। এ ছাড়া বিভিন্ন পুজো এবং আয়ুর্বেদিক ওষুধেও এর ব্যবহার রয়েছে।

চাষের পদ্ধতি ও খরচ জিতেন্দ্র মৌর্য জানান, কামরাঙা চাষের জন্য কোনো দামি রাসায়নিক সার বা কীটনাশকের প্রয়োজন হয় না। পেয়ারা চাষের মতোই সহজ এই পদ্ধতি। ভার্মিকম্পোস্ট বা বাড়ির তৈরি জৈব সার ব্যবহার করলেই ফলন বহুগুণ বেড়ে যায়। বর্ষাকালে এই গাছ রোপণের আদর্শ সময়।