ট্রেনে খাবারের চিন্তায় ইতি! IRCTC-র নতুন ‘ই-প্যান্ট্রি’ পরিষেবা, সিটেই আসবে গরম খাবার

ট্রেন যাত্রীদের সফরের অভিজ্ঞতা আরও আরামদায়ক ও ঝঞ্ঝাটমুক্ত করতে বড় পদক্ষেপ নিল ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ক্যাটারিং অ্যান্ড ট্যুরিজম কর্পোরেশন (IRCTC)। এবার যাত্রীদের সুবিধার্থে চালু করা হয়েছে ‘ই-প্যান্ট্রি’ (e-Pantry) পরিষেবা। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে যাত্রীরা ট্রেন ছাড়ার আগেই তাঁদের পছন্দের খাবার প্রি-বুক করতে পারবেন এবং যাত্রা শুরু হলে সরাসরি তাঁদের বার্থেই খাবার পৌঁছে দেওয়া হবে।
প্রাথমিকভাবে ২৫টি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনে এই পরিষেবা চালু করা হয়েছে। মূলত যে সমস্ত ট্রেনে টিকেটের ভাড়ার সাথে খাবারের দাম যুক্ত থাকে না এবং যেগুলোতে অন-বোর্ড প্যান্ট্রি কার নেই, সেই ট্রেনের যাত্রীদের জন্য এই পরিষেবাটি আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়াবে।
কীভাবে কাজ করবে এই ই-প্যান্ট্রি? ইন্ডিয়া টুডে-র একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, IRCTC-র ওয়েবসাইট বা অ্যাপের মাধ্যমে টিকেট বুক করার সময়ই ‘ই-প্যান্ট্রি’র অপশন পাওয়া যাবে। তবে এই সুবিধা শুধুমাত্র কনফার্মড বা আরএসি (RAC) সিটের যাত্রীদের জন্য প্রযোজ্য। যাত্রীরা রেল নীড় (Rail Neer) থেকে শুরু করে স্ট্যান্ডার্ড মিল পর্যন্ত সবকিছুই টিকেট বুকিংয়ের সময় অথবা পরে অর্ডার করতে পারবেন। অর্ডার করার পর যাত্রীর ফোনে একটি কনফার্মেশন মেসেজ এবং ‘মিল ভেরিফিকেশন কোড’ (MVC) পাঠানো হবে। ট্রেন চলাকালীন ভেন্ডরকে সেই কোডটি দেখালেই সিটে খাবার পৌঁছে যাবে।
রিফান্ড এবং ট্রেনের তালিকা: অর্ডার করা খাবার যদি কোনো কারণে পাওয়া না যায়, তবে যাত্রীরা রিফান্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন। দেশের দীর্ঘতম দূরত্বের ট্রেন ‘বিবেক এক্সপ্রেস’ (২২৫০৩/০৪)-এ এই পরিষেবাটি পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে শুরু হয়েছিল। বর্তমানে বিবেক এক্সপ্রেস ছাড়াও স্বতন্ত্রতা সেনানি এক্সপ্রেস, স্বর্ণ জয়ন্তী এক্সপ্রেস, কর্ণাটক সম্পর্ক ক্রান্তি এক্সপ্রেস, মঙ্গলাদ্বীপ এক্সপ্রেস, কলিঙ্গ উৎকল এক্সপ্রেস, পুষ্পক এক্সপ্রেস, পশ্চিম এক্সপ্রেস, নেত্রাবতী এক্সপ্রেস, গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক এক্সপ্রেস, পূর্ব এক্সপ্রেস, লিচ্ছবি এক্সপ্রেস, আজাদ হিন্দ এক্সপ্রেস, মালওয়া এক্সপ্রেস, আহমেদাবাদ-বারাউনি এক্সপ্রেস এবং পুরুষোত্তম এক্সপ্রেসের মতো ২৫টি ট্রেনে এই সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে।