বিশ্বের নতুন বস ভারত! আমেরিকার পর এবার কি চিনের পালা? মোদী ম্যাজিকে কুপোকাত জিনপিং

২০২৬ সাল বিশ্ব রাজনীতিতে ভারতের জন্য এক স্বর্ণালি অধ্যায় হয়ে দেখা দিচ্ছে। একদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক তুলে নিতে বাধ্য হয়েছেন, আর ঠিক তার পরেই হিমালয়ের ওপার থেকে ভেসে এল বন্ধুত্বের বার্তা। ভারতে নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত জু ফেইহং-এর সাম্প্রতিক মন্তব্য ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, নয়াদিল্লির ক্রমবর্ধমান শক্তির সামনে বেজিং এখন নতিস্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে।

কেন এই কূটনৈতিক ইউ-টার্ন? চিনা রাষ্ট্রদূত এক্স-এ (X) লিখেছেন, “ভারত ও চিন একে অপরের সহযোগিতামূলক অংশীদার।” যে দেশ এতদিন সীমান্তে আগ্রাসন দেখিয়েছে, তাদের এই ভোলবদলের পেছনে রয়েছে ভারতের তুখোড় কূটনীতি। চিনের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি এখন টালমাটাল, আর বিশ্বের দ্রুততম ক্রমবর্ধমান বাজার হিসেবে ভারতকে এড়িয়ে চলা তাদের জন্য আত্মঘাতী হচ্ছে। পাশাপাশি, আমেরিকার সঙ্গে ভারতের বাড়তে থাকা মাখামাখি চিনকে রীতিমতো চাপে ফেলে দিয়েছে।

ভারতের অবস্থান ও সাবধানী পদক্ষেপ: ভারত কিন্তু চিনের এই মিষ্টি কথায় এখনই গলে যাচ্ছে না। নয়াদিল্লি স্পষ্ট করে দিয়েছে, ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে, তা কেবল কথায় মিটবে না। সীমান্তে স্থিতাবস্থা বজায় না থাকলে বাণিজ্য স্বাভাবিক করা সম্ভব নয়। ভারত আজ এমন এক অবস্থানে পৌঁছেছে যেখানে পরাশক্তিরা ভারতের দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে প্রতিযোগিতায় নামছে। ভারত এখন আর কারও অনুসারী নয়, বরং বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম নিয়ন্ত্রক।