ইডির পর এবার ক্রাইম ব্রাঞ্চের হানা: কেন গ্রেফতার হলেন আল-ফালাহ ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান?

দেশের শিক্ষা ও প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে দিয়ে গ্রেফতার হলেন আল-ফালাহ ইউনিভার্সিটির চেয়ারম্যান জাওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকী। দিল্লি পুলিশের অপরাধ দমন শাখা (ক্রাইম ব্রাঞ্চ) জালিয়াতি ও মারাত্মক অনিয়মের অভিযোগে তাঁকে হেফাজতে নিয়েছে। উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন ধরেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির স্ক্যানারে ছিলেন সিদ্দিকী। গত নভেম্বর ২০২৫-এ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) আল-ফালাহ ইউনিভার্সিটির সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তির ডেরায় তল্লাশি চালিয়েছিল।

পুলিশ সূত্রে খবর, ইউজিসি (UGC)-র অভিযোগের ভিত্তিতে দুটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। লাল কেল্লার কাছে হওয়া একটি বিস্ফোরণ কাণ্ডের পর থেকেই এই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজকর্ম নিয়ে সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করে। তদন্তকারীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের আড়ালে বড় ধরনের আর্থিক তছরুপ এবং প্রশাসনিক জালিয়াতি চলছিল। ইডির প্রাথমিক তদন্তের পর দিল্লি পুলিশ সক্রিয় হয়ে জাওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার করে।

দিল্লি পুলিশের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, অভিযুক্তকে স্থানীয় আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তাঁকে চার দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এই চার দিনে তাঁর আর্থিক লেনদেন এবং বিস্ফোরণ পরবর্তী পরিস্থিতির কোনও যোগসূত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। এই গ্রেফতারি শিক্ষা জগতে যেমন বিতর্কের সৃষ্টি করেছে, তেমনই নিরাপত্তা বিষয়ক প্রশ্নকেও সামনে নিয়ে এসেছে।