সোনা-রূপা অতীত, এবার লাভ দেবে তামা! AI এবং EV-এর দাপটে এই ৪টি কোম্পানি হতে পারে আগামীর মাল্টিব্যাগার

নিশপাপ তামা এখন বিনিয়োগের বাজারে ‘নতুন সোনা’ হয়ে উঠেছে। যখন সাধারণ মানুষ সোনা ও রূপার দাম নিয়ে ব্যস্ত, তখন অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীরা নিঃশব্দে তামা বা কপার সম্পর্কিত স্টকের দিকে ঝুঁকছেন। কারণটা অত্যন্ত স্পষ্ট—ভবিষ্যতের প্রযুক্তি যেমন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI), ইলেকট্রিক ভেহিকেল (EV), এবং সোলার এনার্জি—সবকিছুরই মেরুদণ্ড হলো তামা। একটি সাধারণ গাড়ির তুলনায় বৈদ্যুতিক গাড়িতে প্রায় তিনগুণ বেশি তামা প্রয়োজন। অন্যদিকে, এআই সিস্টেমের হাই-স্পিড ডেটা সেন্টারের জন্য তামার তার অপরিহার্য।

চাহিদা তুঙ্গে, যোগান কম: বিনিয়োগের সেরা সুযোগ? বর্তমানে তামার বৈশ্বিক চাহিদা যে হারে বাড়ছে, খনি থেকে উৎপাদন সেই গতিতে বাড়ছে না। ভারতে তামার অভ্যন্তরীণ উৎপাদন সীমিত হওয়ায় আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতের কয়েকটি উদীয়মান তামা উৎপাদনকারী কোম্পানি বড়সড় আয়ের পথ দেখাচ্ছে।

রাডারের নিচে থাকা ৪টি শক্তিশালী স্টক:

  • যথার্থ তার (Precision Wires): মোটর এবং ট্রান্সফরমারে ব্যবহৃত তামার তার তৈরিতে এরা শীর্ষস্থানে। কোম্পানিটি কপার স্ক্র্যাপ পুনর্ব্যবহার করে খরচ নিয়ন্ত্রণে দক্ষ। গত ৫ বছরে এদের মুনাফা ক্রমাগত বেড়েছে।

  • ওনিক্স সোলার (Onyx Solar): আগে ছোট মেটাল কোম্পানি থাকলেও এখন এরা সোলার সেক্টরের প্রয়োজনীয় তামা উপাদান তৈরি করছে। আগামী ২ বছরে এরা উৎপাদন ক্ষমতা ৪০ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে।

  • বিদ্যা ওয়্যারস (Vidya Wires): সদ্য তালিকাভুক্ত এই কোম্পানিটি মোটর ও সোলার প্যানেলের কন্ডাক্টর তৈরি করে। দ্রুত উৎপাদন ক্ষমতা দ্বিগুণ করার পথে হাঁটছে এই সংস্থাটি।

  • এনডি মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ (ND Metal Industries): এটি মূলত অ-লৌহঘটিত ধাতুর প্রক্রিয়াকরণ করে। যদিও এদের আয়ের একটি বড় অংশ ভাড়া থেকে আসে, তবুও তামার বাজারে এদের উপস্থিতি নজরকাড়া। তবে বিনিয়োগের আগে এদের নতুন কারখানার অগ্রগতির দিকে নজর রাখা জরুরি।