বাজেটে বড় ধামাকা! ৫০০ জলধারা ও অমৃত সরোবরেই ঘুরবে গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা, মাস্টারস্ট্রোক অশোক লাহিড়ীর

২০২৬ সালের প্রবৃদ্ধিমুখী বাজেটে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ তথা বিধায়ক ডঃ অশোক লাহিড়ী। এবারের বাজেটে তাত্ত্বিক আলোচনার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বাস্তবসম্মত প্রয়োগে, যার মূলে রয়েছে শিল্প উন্নয়ন, পরিকাঠামো নির্মাণ এবং প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান। বিশেষ করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে ডঃ লাহিড়ী যে পথ দেখিয়েছেন, তা এককথায় বৈপ্লবিক।
বাজেটের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো ৫০০টি জলধারা ও অমৃত সরোবরের সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ অঞ্চলের অব্যবহৃত বা সংস্কারহীন জলাশয়গুলোকে নতুন জীবন দেওয়া হবে। এতে কেবল পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে না, বরং মৎস্য চাষের এক বিশাল ক্ষেত্র তৈরি হবে। ডঃ লাহিড়ীর মতে, এই জলধারাগুলো আধুনিক মৎস্য চাষের প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠবে, যা স্থানীয় যুবকদের জন্য নতুন আয়ের উৎস এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেবে।
শিল্প ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রেও এবারের বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়নের সঙ্গে শিল্পের সংযোগ ঘটানোর যে নীল নকশা ডঃ লাহিড়ী পেশ করেছেন, তা দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সহায়ক হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কৃষি-ভিত্তিক ক্ষুদ্র শিল্প এবং মৎস্য চাষের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতির পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করার এই প্রয়াস সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
ডঃ অশোক লাহিড়ী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য কেবল প্রবৃদ্ধি নয়, বরং সেই প্রবৃদ্ধির সুফল যেন প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছায়। এই ৫০০ জলধারা কেবল জলাশয় নয়, এগুলি গ্রামীণ অর্থনীতির নতুন চালিকাশক্তি।” কর্মসংস্থানমুখী এই বাজেটের হাত ধরে আগামী দিনে গ্রামীণ বাংলায় যে এক নতুন আর্থিক বিপ্লব ঘটতে চলেছে, তার ইঙ্গিত এখন থেকেই স্পষ্ট।