বিধায়ক চিরঞ্জিতের চোখে জল! বারাসাতে টিকিট পাওয়া নিয়ে সংশয়? মঞ্চেই কেঁদে ফেললেন বর্ষীয়ান অভিনেতা

বারাসাতের রাজনীতির ময়দান গত ১৫ বছর ধরে একাই সামলেছেন তিনি। কিন্তু ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে কি তবে সেই সমীকরণ বদলে যাচ্ছে? টিকিট পাওয়া নিয়ে যখন রাজনৈতিক মহলে তীব্র দোলাচল, ঠিক তখনই এক অনুষ্ঠানে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লেন বারাসাতের বিধায়ক তথা বর্ষীয়ান অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। মঞ্চে কথা বলতে বলতে কার্যত তাঁর চোখ ভিজে এল। আর এই দৃশ্য দেখেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা—তবে কি এবার তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় বড় কোনো পরিবর্তন আসতে চলেছে?

টিকিট পাওয়ার অনিশ্চয়তার মাঝেই এদিন চিরঞ্জিতকে পাওয়া গেল একেবারে ভিন্ন মেজাজে। কেবল রাজনীতি নয়, টলিউডের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও ক্ষোভ উগড়ে দেন তিনি। তিনি আক্ষেপের সুরে বলেন, “উত্তম-সুচিত্রা যুগের সেই সিনেমার মান আর ফিরবে না।” ইন্ডাস্ট্রির বর্তমান হাল এবং টলিউড ফেডারেশনের দাদাগিরি ও অভ্যন্তরীণ সমস্যা নিয়ে এদিন প্রকাশ্যেই সরব হন এই অভিনেতা-বিধায়ক। তাঁর মতে, কাজের পরিবেশ আগের মতো নেই, যার প্রভাব পড়ছে বাংলা সিনেমার ওপর।

বারাসাতের দীর্ঘ ১৫ বছরের জনপ্রতিনিধি হিসেবে চিরঞ্জিতের জনপ্রিয়তা প্রশ্নাতীত। কিন্তু দল কি এবার বয়সের কারণে বা নতুন মুখের সন্ধানে তাঁকে সরিয়ে অন্য কাউকে ভাবছে? চিরঞ্জিতের এই কান্না কি তবে কোনো আসন্ন বিদায়ের ইঙ্গিত? রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, দলের অন্দরের সমীকরণ বুঝেই হয়তো আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন এই তারকা বিধায়ক। এখন দেখার, ঘাসফুল শিবিরের চূড়ান্ত তালিকায় শেষ পর্যন্ত তাঁর নাম থাকে কি না।