AI-এর যুগে পুরনো ধাঁচের CV-তে আর কাজ হবে না! ইন্টারভিউ কল পেতে বদলে ফেলুন এই ৪টি বিষয়

চাকরির বাজারে প্রতিযোগিতার ভিড়ে নিজেকে আলাদা করে চেনাতে আপনার সবচেয়ে বড় অস্ত্র হলো একটি ঝকঝকে এবং পেশাদার ‘কারিকুলাম ভিটা’ বা CV। অনেক সময় যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র ভুলভাবে সিভি তৈরির কারণে ইন্টারভিউয়ের ডাক পান না চাকরিপ্রার্থীরা। বর্তমানে নিয়োগকারী সংস্থাগুলো একটি সিভির পেছনে মাত্র কয়েক সেকেন্ড সময় দেয়। তাই এই অল্প সময়ে কীভাকে নজর কাড়বেন, তার কিছু অব্যর্থ উপায় নিচে দেওয়া হলো:
১. কোম্পানি বুঝে আলাদা সিভি: সব চাকরির জন্য একই সিভি পাঠানো বন্ধ করুন। প্রতিটি কোম্পানির কাজের ধরন আলাদা। তাই নির্দিষ্ট কোম্পানির চাহিদা বা ‘জব ডেসক্রিপশন’ অনুযায়ী আপনার দক্ষতাগুলোকে ক্রমান্বয়ে সাজান।
২. বাহুল্য বর্জন ও সঠিক ফরম্যাট: সিভিতে অপ্রয়োজনীয় তথ্যের ভিড় জমাবেন না। নিয়োগকারীদের বিভ্রান্তি কমাতে শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো দিন। পড়ার সুবিধার জন্য এরিয়াল (Arial) বা ক্যালিব্রির (Calibri) মতো সহজ ফন্ট ব্যবহার করুন। মনে রাখবেন, ২ পৃষ্ঠার বেশি বড় সিভি সাধারণত কেউ পড়ে না।
৩. দক্ষতা ও প্রযুক্তির মেলবন্ধন: বর্তমান সময়ে শুধু ডিগ্রিতে কাজ হয় না। ডেটা স্ট্রাকচার, অ্যালগরিদম শেখার পাশাপাশি মেশিন লার্নিং (ML) এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা সিভিতে উল্লেখ করলে আপনার গুরুত্ব বাড়বে। ভাষা হতে হবে অত্যন্ত মার্জিত ও পেশাদার।
৪. ব্যাকরণ ও বানানে সতর্কতা: একটি ছোট বানান ভুল আপনার সারা জীবনের ক্যারিয়ারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই সিভি পাঠানোর আগে অন্তত ২-৩ বার ভালো করে পড়ে নিন। রঙিন ডিজাইন বা হিজিবিজি ফন্ট এড়িয়ে মার্জিত লুক বজায় রাখুন।