রণক্ষেত্র বেহালা! বিপ্লব দেবের সভামঞ্চে আগুন, শুভেন্দুর নেতৃত্বে থানা ঘেরাও করে চরম হুঁশিয়ারি

প্রজাতন্ত্র দিবসের সন্ধ্যায় উত্তপ্ত দক্ষিণ কলকাতার বেহালা। শখেরবাজার এলাকায় বিজেপির সভায় অগ্নিসংযোগ এবং ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপি শিবিরের দ্বন্দ্বে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল ডায়মন্ড হারবার রোড। অভিযোগ, ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ বিপ্লব দেবের সভা শেষ হওয়ার পরেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সভামঞ্চে ভাঙচুর চালায় এবং তাতে আগুন লাগিয়ে দেয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার সরাসরি ময়দানে নামলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

রবিবার সন্ধ্যায় বেহালার এই সভায় উপস্থিত ছিলেন বিপ্লব দেব। তিনি এলাকা ছাড়ার পরেই উত্তেজনা ছড়ায়। বিজেপির দাবি, পুলিশের উপস্থিতিতেই তাঁদের সভামঞ্চ পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দমকল পৌঁছালেও উত্তজনা কমেনি। এই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার বিকেলে ঠাকুরপুকুর থানা ঘেরাও করে ডেপুটেশন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। শুভেন্দু সাফ জানান, “বেহালায় যে জঙ্গলরাজ চলছে, তার শেষ দেখে ছাড়ব।”

অন্যদিকে, শাসকদলের পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। স্থানীয় বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায়ের পাল্টা দাবি, বিজেপির কর্মীরাই বড়িশা ক্লাবের ভেতর ঢুকে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে ভাঙচুর চালিয়েছে। তিনি বলেন, “বিজেপি বাংলাকে অশান্ত করতে চাইছে।” এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাঙচুরের ভিডিও পোস্ট করে তিনি লেখেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে পশ্চিমবঙ্গ আইনহীনতার অতল গহ্বরে তলিয়ে গেছে। এই বর্বরোচিত হামলার জবাব ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে দেওয়া হবে।” দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে এই মুহূর্তে থমথমে গোটা বেহালা।