পাঞ্জাবে বিদেশি বিনিয়োগের জোয়ার! কানাডিয়ান ব্যবসায়ীদের জন্য ‘রেড কার্পেট’ পাতছেন ভগবন্ত মান

পঞ্জাবের শিল্প ও বাণিজ্যের মানচিত্রে বড়সড় বদল আনতে কোমর বেঁধে নামছে মান সরকার। আগামী ১৩-১৫ মার্চ, ২০২৬ তারিখে মোহালির প্ল্যাক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত হতে চলেছে ‘প্রগ্রেসিভ পাঞ্জাব ইনভেস্টর সামিট’। এই মেগা সম্মেলনে কানাডিয়ান বিনিয়োগকারীদের জন্য সবরকম সুযোগ-সুবিধার ডালি সাজিয়ে বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত সিং মান। ব্রিটিশ কলম্বিয়ার প্রিমিয়ার ডেভিড এবির সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর মান স্পষ্ট করেছেন যে, কানাডা ও পাঞ্জাবের এই মৈত্রী দুই অঞ্চলের অর্থনীতিতেই বিপ্লব ঘটাবে।
কেন বিনিয়োগের সেরা গন্তব্য পাঞ্জাব? মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানের দাবি, কৃষি-প্রক্রিয়াকরণ, বস্ত্রশিল্প, আইটি এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তিতে পাঞ্জাব এখন দেশের মধ্যে শীর্ষস্থানে। দক্ষ ইংরেজি জানা কর্মীবাহিনী এবং উন্নত পরিকাঠামোর কারণে কানাডিয়ান কোম্পানিগুলোর কাছে পাঞ্জাব হবে আদর্শ গন্তব্য। তিনি বলেন, “ইনভেস্ট পাঞ্জাবের মাধ্যমে আমরা বিনিয়োগকারীদের জন্য ‘সিঙ্গল-উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স’ এবং ব্যাপক প্রশাসনিক সহায়তা দিচ্ছি।”
কৃষি ও প্রযুক্তিতে নয়া দিগন্ত: ব্রিটিশ কলম্বিয়ার অত্যাধুনিক গ্রিনহাউস প্রযুক্তি এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ বিদ্যা পাঞ্জাবের কৃষি আধুনিকীকরণে মাইলফলক হতে পারে। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রী মোহালিতে কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ক্যাম্পাস তৈরির জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সাইবার নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং কৃষি-প্রযুক্তিতে যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের নতুন দিশা দেখাতে চায় পাঞ্জাব সরকার।
সেতুবন্ধনে অনাবাসী পাঞ্জাবিরা: কানাডায় বসবাসকারী বিশাল পাঞ্জাবি প্রবাসীরাই হবে এই দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের প্রধান ভিত্তি। মান বলেন, “প্রবাসীরাই আমাদের সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক সেতুবন্ধন। ২০২৬-এর এই সামিটে কানাডাকে ‘পার্টনার কান্ট্রি’ হিসেবে পাওয়ার জন্য আমরা মুখিয়ে আছি।” মোহালিকে আইটি এবং গ্লোবাল স্কিল সেন্টারের হাব হিসেবে গড়ে তোলাই এখন সরকারের পাখির চোখ।