ইরান দখল কি ট্রাম্পের পরবর্তী লক্ষ্য? ভেনেজুয়েলা মডেলের ছকে ‘কালো সোনা’র নেশায় মত্ত আমেরিকা

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আবারও যুদ্ধের ঘনঘটা। ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান নীতি এবার এক নতুন মোড় নিয়েছে, যা অনেক বিশেষজ্ঞের মতে ভেনেজুয়েলা মডেলের কার্বন কপি। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে সরিয়ে যেভাবে মার্কিন তেল কোম্পানিগুলো সেদেশের খনি দখল করেছে, ইরানের ক্ষেত্রেও সেই একই চিত্রনাট্য তৈরি হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ ইরানের ওপর ‘সর্বোচ্চ চাপ ২.০’ প্রয়োগ করে ট্রাম্প মূলত দেশটির অর্থনীতির মেরুদণ্ড ভেঙে দিতে চাইছেন।

২০২৬ সালের শুরুতে ইরানের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা এবং বিক্ষোভকারীদের প্রতি ট্রাম্পের প্রকাশ্য সমর্থন ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, আমেরিকা সেখানে ‘শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন’ (Regime Change) চায়। এই লড়াইয়ের লক্ষ্য কেবল গণতন্ত্র নয়, বরং চীনের তেল সরবরাহ বন্ধ করা। চীন ইরানের তেলের প্রধান ক্রেতা হওয়ায়, ইরানের ওপর অবরোধ মানেই বেইজিংয়ের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা। তবে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় সরাসরি যুদ্ধের বদলে সাইবার হানা এবং নৌ-অবরোধের পথেই হাঁটতে পারে ওয়াশিংটন।