গান-সিনেমা-গেমিং থেকেই আসবে কোটি কোটি টাকা! ভারতীয় সৃজনশীলতায় নতুন দিশা দেখালেন প্রধানমন্ত্রী

এতদিন আমরা সবুজ অর্থনীতি বা ডিজিটাল অর্থনীতির কথা শুনে এসেছি, কিন্তু এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কণ্ঠে শোনা গেল এক নতুন শব্দ— ‘কমলা অর্থনীতি’ বা ‘Orange Economy’। ২০২৬ সালের ‘ডেভেলপ ইন্ডিয়া ইয়ং লিডার্স ডায়ালগ’-এ যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, ভারতের ভবিষ্যৎ এখন সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা এবং কন্টেন্টের ওপর দাঁড়িয়ে। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মজয়ন্তীতে যুব সমাজের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি এই বিশেষ অর্থনীতির গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেন।

আসলে ‘কমলা অর্থনীতি’ কোনো ফল বা রঙের বিষয় নয়। এটি এমন একটি ব্যবস্থা যা সম্পূর্ণভাবে শিল্প, সংস্কৃতি এবং মানুষের সৃজনশীল ক্ষমতার ওপর নির্ভরশীল। চলচ্চিত্র, সঙ্গীত, ফ্যাশন, থিয়েটার, নকশা, কারুশিল্প এবং গেমিং—সবই এই অর্থনীতির অঙ্গ। কলম্বিয়ার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ইভান ডুক মার্কেজ এবং ফেলিপ বুইত্রাগো প্রথম এই শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। তাঁদের মতে, কমলা রং হলো সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার প্রতীক।

প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, “ডিজিটাল ভারত দেশে কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের এক নতুন প্রজন্ম তৈরি করেছে।” ভারত এখন মিডিয়া, গেমিং, ভিআর-এক্সআর (VR-XR) এবং ডিজিটাল কন্টেন্টের বিশ্বব্যাপী হাবে পরিণত হচ্ছে। মোদীর মতে, কন্টেন্ট, ক্রিয়েটিভিটি এবং কালচার—এই তিনটিই হলো কমলা অর্থনীতির মূল ভিত্তি। ভবিষ্যতে ভারতের সঙ্গীত ও সৃজনশীল কন্টেন্ট গোটা বিশ্বে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করবে এবং এর মাধ্যমেই লক্ষ লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলে আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী।