সরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর! বাজেটে একধাক্কায় বাড়বে ডিএ? ভোটের আগে ক্ষোভ মেটাতে বড় ঘোষণা করতে পারে রাজ্য

২০২৬-এর এপ্রিল মাসে বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। আর এই হাইভোল্টেজ ভোটের আগেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ভাগ্যবদল হতে চলেছে কি না, তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে। আসন্ন রাজ্য বাজেটে কি নতুন বেতন কমিশনের ঘোষণা হবে? মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ কি আরও একদফায় বাড়তে পারে? নবান্নের অন্দরের খবর ঘিরে এখন টানটান উত্তেজনা।
দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া ডিএ এবং সপ্তম বেতন কমিশনের দাবিতে সরব হয়েছেন রাজ্যের সরকারি কর্মীরা। এরই মাঝে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের মতো কর্মচারী সংগঠনগুলি নবান্ন অভিযানের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তাদের দাবি, ২০২৬ সাল চলে এলেও সরকার সপ্তম বেতন কমিশন (7th Pay Commission) নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করছে না। এই ক্রমবর্ধমান ক্ষোভ প্রশমনেই কি বাজেটকে হাতিয়ার করবে শাসকদল?
বাজেটে কি বড় ঘোষণা? বিশেষজ্ঞদের মতে, ভোটের আগে রাজ্য সরকার যে ‘ভোট-অন-অ্যাকাউন্ট’ পেশ করতে চলেছে, তাতে ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এমনকি, কর্মচারীদের মন জয় করতে সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের ঘোষণাও আসতে পারে। এর আগে ২০২৪-এর লোকসভা ভোটের সময়ও রাজ্য সরকার দু’বার ডিএ বাড়িয়েছিল। এবারও কি সেই একই কৌশলে ভোটের বৈতরণী পার করতে চাইছে নবান্ন? প্রশ্নটা এখন লাখ টাকার।
রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ ও আন্দোলনের চাপ: অন্যদিকে, সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ সরাসরি রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে। তারা ইতিমধ্যেই রাজভবনে চিঠি দিয়ে নতুন পে কমিশন গঠনের জন্য সরকারকে উদ্যোগী হতে অনুরোধ জানিয়েছে। সংগঠনের মূল দাবিগুলো হলো— সমস্ত বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়া, শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগ এবং যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের কর্মসংস্থান।
সামনে ভোট, আর হাতে সময় খুব কম। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য বাজেট সরকারি কর্মচারীদের জন্য ‘উপহার’ নিয়ে আসে নাকি ‘হতাশা’, তার উত্তর মিলবে খুব শীঘ্রই।