“বাংলা কি এভাবেই রাজ্যপালকে ট্রিট করে?”, সাংবিধানিক প্রধানকে আটকানোর অভিযোগ তুলে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ বোসের

ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির (Lionel Messi) অনুষ্ঠান ঘিরে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে (Yuva Bharati Krirangan) বেনজির বিশৃঙ্খলা ও ভাঙচুরের ঘটনার পর সেই স্থান পরিদর্শনে এসে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তাঁর অভিযোগ, তিনি স্টেডিয়ামে পৌঁছলেও গেট খোলা হয়নি এবং আলো নিভিয়ে দেওয়া হয়েছে।

রাজ্যপালের অভিযোগ: এ দিন (শনিবার) সন্ধে নাগাদ রাজ্যপাল বোস যুবভারতীতে পৌঁছলেও গেট খোলা হয়নি। বাইরে খানিকক্ষণ অপেক্ষাও করতে হয় তাঁকে। এই ঘটনায় তিনি অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হন।

আটকে রাখার অভিযোগ: বোস জানান, তাঁর এডিসিকে ৩ নম্বর গেট দিয়ে আসতে বলা হয়েছিল, কিন্তু তিনি পৌঁছলেও গেট বন্ধ ছিল। তিনি বলেন, “সবাইকে আমি জানিয়ে এসেছিলাম, তারপরও কেউ দরজা খোলেননি।”

আলো নিভিয়ে দেওয়া: রাজ্যপাল আরও সংযোজন করেন, “আমি এটাও খেয়াল করেছি, আমি এখানে আসার পর আলো নিভিয়ে দেওয়া হল।”

কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ: রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানকে কেন এভাবে আটকানো হয়েছে, তার ব্যাখ্যা চেয়েছেন রাজ্যপাল। তিনি এই ঘটনাকে সাংবিধানিক প্রধানকে আটকানোর চেষ্টা বলে উল্লেখ করেন এবং তীব্র ভাষায় বলেন:

“বাংলা কি এভাবে গভর্নরকে ট্রিট করে? গভর্নর কোনো রাবার স্ট্যাম্প নয়।”

তিনি কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন এবং জানিয়েছেন, তাঁর রিপোর্ট তৈরি আছে। রাজ্যপাল অভিযোগ করেন, খেলাকে ব্যবসায় ব্যবহার করা হচ্ছে।

প্রেক্ষাপট: উল্লেখ্য, টিকিট কেটেও মেসিকে ঠিকমতো দেখতে না পাওয়ায় দর্শকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং স্টেডিয়ামে ভাঙচুর চালান। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় উদ্যোক্তারা মেসিকে দ্রুত স্টেডিয়াম থেকে বের করে দেন। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা শতদ্রু ঘোষকে (Shatadru Ghosh) গ্রেফতার করা হয়েছে।