৩৭-এর দোরগোড়ায় বিরাট, ব্যাটে আগুন! স্টেন কেন বললেন ‘মানসিক ও শারীরিক ভাবে অনেক শক্তিশালী’ কোহলি?

৩৭ ছুঁইছুঁই কিং কোহলির ব্যাটে এখন আগুন! দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ান ডে ম্যাচে রাঁচির মাঠে ১৩৫ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলে আরও একগুচ্ছ রেকর্ড গড়েছেন বিরাট কোহলি। এই ‘বিরাট বন্দনা’য় মুগ্ধ শুধু সাধারণ ক্রিকেটপ্রেমীরাই নন, প্রাক্তন প্রোটিয়া পেসার ডেল স্টেনও। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরে (RCB) কোহলির সঙ্গে ড্রেসিংরুম শেয়ার করা এই পেসার কিং কোহলির মানসিক ও শারীরিক শক্তি দেখে অবাক।
ধারাভাষ্যকার হিসেবে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা ওয়ান ডে সিরিজে দায়িত্ব সামলানো স্টেন এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “গত ১৫-১৬ বছর ধরে বিরাট ৩০০-রও বেশি ওয়ান ডে ম্যাচ খেলেছে। তার অগাধ অভিজ্ঞতা রয়েছে। ওর মন ও শরীর ভীষণ শক্তিশালী। নিজের প্রস্তুতি সম্পর্কে ও অবগত, মানসিকভাবেও সে ভীষণ শক্তিশালী।”
বিরাটের ফিটনেস প্রসঙ্গে স্টেন যোগ করেন, “৩৭-৩৮ বছর বয়সে অনেকেই আর নিজের কমফোর্ট জোন ছেড়ে বেরিয়ে আসতে চায় না। কিন্তু বিরাট এখনও দেশের জন্য খেলতে মরিয়া থাকে। উইকেটের মধ্যে ওর দৌড়ানোর গতি এখনও অবিশ্বাস্য। বয়স হলেও এখনও মানসিকভাবে বিরাট তরুণই রয়েছে, মাঠে নামার জন্য আগের মতোই ছটফট করে।”
গম্ভীর-কোহলির সমীকরণ নিয়ে নতুন জল্পনা
এদিকে, রাঁচির প্রথম ওয়ান ডে ম্যাচের পর কোচ গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে বিরাট কোহলির সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। ড্রেসিংরুমে ঢোকার সময় বিরাট কি সজ্ঞানে গম্ভীরকে এড়িয়ে গেলেন? ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে তেমনই ইঙ্গিত মিলেছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, কোহলি ম্যাচ শেষে ড্রেসিংরুমে হেঁটে ঢুকছেন। সামনেই বসে রয়েছেন কোচ গৌতম গম্ভীর। কোচকে দেখেই পকেট থেকে মোবাইল ফোন বার করে ফেলেন কোহলি। তারপর সেই ফোন ঘাঁটতে ঘাঁটতেই মাথা নিচু করে ঢুকে যান ভেতরের দরজা ঠেলে। অনেকেই এই ঘটনাটিকে বিরাট ও গম্ভীরের ‘মুখ দেখাদেখি বন্ধ’ থাকার ইঙ্গিত বলে মনে করছেন। যদিও মাঠের বাইরে এই সমীকরণের প্রভাব যেন খেলায় না পড়ে, সেটাই এখন ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রধান চিন্তা।